Refreshing Drinks: শরীর জলের ঘাটতি রুখতে চাইলে মেনুতে রাখুন ৫ ধরনের 'রিফ্রেশিং ড্রিঙ্ক'

প্রতীকী ছবি, ছবি সূত্র- পিক্সেলস
বিভিন্ন ধরনের সবজি এবং শাক দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন স্মুদি। এই ভেজিটেবল স্মুদি অনেকক্ষণ আপনার পেট ভরিয়ে রাখবে। তাছাড়াও শরীরে জলের ঘাটতি হতে দেবে না।
পালং শাক, কালে, লেটুস পাতা সবুজ রঙের এই শাকপাতা দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন স্মুদি। এই পানীয়ের পুষ্টিগুণ প্রচুর। শরীর ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করবে এই ভেজিটেবল স্মুদি।
আইস টি- অনেকেই এই ঠান্ডা পানীয় খেতে বেশ পছন্দ করেন। শরীরে জলের ঘাটতি রুখে দেওয়ার জন্য এই আইস টি- এর জুড়ি মেলা ভার।
বিভিন্ন ফ্লেভারের টি-ব্যাগ এবং বিভিন্ন ধরনের ফলের রস দিয়ে আপনি বাড়িতেই তৈরি করে নিতে পারেন আইস টি। গরমের দিনে বরফ মিশিয়ে আইস টি খেতেও বেশ ভাল লাগে।
সোয়া মিল্ক- এই বিশেষ ধরনের দুধের মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রোলাইটস। অনেকের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স থাকে। সাধারণ দুধ খেতে পারেন না। সেক্ষেত্রে খেতে পারেন সোয়া মিল্ক। ডিহাইড্রেশনের সমস্যা এড়ানোর জন্য এই পানীয় বেশ কাজে লাগে।
সোয়া মিল্কের মধ্যে রয়েছে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং প্রোটিন। এই উপকরণগুলির সাহায্যেই মানবদেহে জলের মাত্রা সঠিক পর্যায়ে বজায় রাখতে সাহায্য করে সোয়া মিল্ক।
শসা দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন রিফ্রেশিং ড্রিঙ্ক। শসা দিয়ে ডিটক্স ওয়াটারও তৈরি করা যায়। এই দুই ধরনের পানীয়ই আমাদের শরীর হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
শসার মধ্যে জলীয় উপকরণ ছাড়াও রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, প্রয়োজনীয় খনিজ উপকরণ এবং পটাশিয়াম। এই সমস্ত উপকরণ আমাদের শরীরে জলের ঘাটতি অর্থাৎ ডিহাইড্রেশন হতে দেয় না।
ডাবের জল খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়, একথা তো প্রায় সকলেরই জানা। এই তালিকায় রয়েছে নারকেলের জলও। শরীর ঠান্ডা এবং হাইড্রেটেড রাখতে এই পানীয় সাহায্য করে।
নারকেলের জলে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো ইলেকট্রোলাইটস রয়েছে যা আমাদের শরীরে সঠিক মাত্রায় জলের পরিমাণ বজায় রাখে এবং এনার্জি দেয়। অর্থাৎ শুধু হাইড্রেশনের জন্য রিফ্রেশিং ড্রিঙ্ক নয় এনার্জি বুস্টার হিসেবেও নারকেলের জল খেতে পারেন।