Hair Care Tips: চুলের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বীজ, কোন কোন বীজের সাহায্যে চুলের খেয়াল রাখবেন?

প্রতীকী ছবি, সূত্র: পিক্সেলস
বিভিন্ন ধরনের বীজ (Seeds Benefits), সেটা ফল বা সবজি কিংবা শস্যদানার হতে পারে- নানা ভাবে আমাদের কাজে লাগে। বিশেষত এই সব ধরনের বীজই যথেষ্ট পুষ্টিকর উপকরণ।
অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে এই বীজগুলি যুক্ত করে থাকেন। কেউ এইসব বীজ ভেজানো জল খান। কেউ বা স্মুদি তৈরি করলে সেখানে যুক্ত করেন এইসব বীজ।
তবে বিভিন্ন ধরনের এইসব বীজ যে চুলের যত্নেও (Hair Growth) কাজে লাগে তা হয়তো অনেকেরই অজানা। কোন কোন ধরনের বীজ কীভাবে আপনার চুলের যত্নে কাজে লাগে জেনে নিন।
তিল- চুলের গ্রোথ অর্থাৎ চুল বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তিল ভীষণ ভাবে কাজে লাগে। তিলের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এবং ফ্যাটি অ্যাসিড। এই দুই উপকরণ চুলের রুক্ষ এবং শুষ্ক ভাব দূর করে।
এর পাশাপাশি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে তিল। তাই তিল তেল দিয়ে চুলে ম্যাসাজ করা প্রয়োজন। স্ক্যাল্পে এবং চুলের লম্বা অংশ, দু'জায়গাতেই তিল তেল লাগাতে পারেন।
এর পাশাপাশি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে তিল। তাই তিল তেল দিয়ে চুলে ম্যাসাজ করা প্রয়োজন। স্ক্যাল্পে এবং চুলের লম্বা অংশ, দু'জায়গাতেই তিল তেল লাগাতে পারেন।
সূর্যমুখী ফুলের বীজ দিয়ে তেল ফুটিয়ে তা দিয়ে চুলে ম্যাসাজ করে তারপর শ্যাম্পু করতে পারেন। এর ফলে চুলের গ্রোথ ভাল হবে।
মেথি- মেথি নানা ভাবে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। মেথি ভেজানো জল খেলে শরীর ভিতর থেকে ঠান্ডা থাকে। এছাড়াও মেথির মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, অ্যামাইনো অ্যাসিড, নিয়াসিন এবং পটাসিয়াম।
এই উপকরণগুলি চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। নারকেল তেলের মধ্যে মেথি ভিজিয়ে রেখে তা দিয়ে চুলে ম্যাসাজ করতে পারেন। এই তেল চুল বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চুল পড়ার সমস্যাও দূর করে।
কুমড়োর বীজ- জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, কপার, ভিটামিন এ, বি এবং সি রয়েছে কুমড়োর বীজের মধ্যে। চুলের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ঔজ্জ্বল্যও বাড়ায় এই ধরনের বীজ। এছাড়াও যাঁদের চুলের গঠন খুব পাতলা, সেক্ষেত্রেও উপকার পাওয়া যায় এই বীজের সাহায্যে।