সিডনি: অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হিসেবে গত বছর বর্ডার গাওস্কর ট্রফি (Border Gavaskar Trophy) জিতেছিলেন। কিন্তু চোটের জন্য ছিটকে যেতে হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে। তবে চোট সারিয়ে ফের ২২ গজে ফিরলেন প্যাট কামিন্স (Pat Cummins)। আসন্ন আইপিএল ও এরপর লর্ডসে হতে চলা টেস্ট চ্য়াম্পিয়নশিপের ফাইনালের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন বিশ্বজয়ী অজি অধিনায়ক।
বর্ডার গাওস্কর ট্রফি খেলার সময়ই গোড়ালিতে চোট পেয়েছিলেন কামিন্স। সম্প্রতি ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কামিন্স বলেছেন, ''গোড়ালির হাল এখন অনেক ভাল। আইপিএলের আগে অনেকটা সময় রয়েছে। আমি ধীরে ধীরে পুরো সুস্থ হয়ে উঠছি। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পুরোদমে বোলিং শুরু করে দেব। আইপিএলের সময় পুরাে ফিট হয়েই মাঠে নামতে পারব, এমনটাই মনে হয়।''
কিছুদিন আগেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের দুবাইয়ে খেলার প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছিলেন কামিন্স। তিনি জানিয়েছিলেন, ''চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অবশেষে হচ্ছে, তা সত্যিই দুর্দান্ত খবর। তবে নিঃসন্দেহে ভারত বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। একই মাঠে খেলা অবশ্যই সুবিধার। এমনিই ভারত যথেষ্ট শক্তিশালী, তার উপর আবার একই মাঠে খেলা। তা টিম ইন্ডিয়াকে এগিয়ে দিচ্ছে।''
এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কামিন্স, হ্যাজেলউড, স্টার্ককে ছাড়াই মাঠে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ম্য়াচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল অজি ব্রিগেড। জস ইংলিশ তাঁর প্রথম আন্তর্জাতিক ওয়ান ডে শতরান হাঁকিয়েছিলেন। এদিকে, মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্য়াচ বৃষ্টিতে পণ্ড হয়ে গিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা, উভয় দলই চলতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে যথাক্রমে ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে হারিয়ে এই ম্যাচে মাঠে নামতে চলেছিল। এই ম্যাচে যে দল জয়ী হত, গ্রুপ 'বি' থেকে তাঁরা প্রথম দল হিসাবে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাওয়ার পথে এক পা বাড়িয়েই রাখতে পারত। তবে এক পয়েন্ট করে ভাগ করে দেওয়ায় দুই দলের দখলেই বর্তমানে তিন পয়েন্ট রয়েছে। তবে নেট রান রেটের বিচারে এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই ম্য়াচে এক পয়েন্ট করে ভাগ হয়ে যাওয়ায় তাতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালের দৌড়ে কেমন কী প্রভাব পড়ল? আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ১০৭ রানে জয়ের সুবাদে +২.১৪০ নেট রান রেট রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার। অস্ট্রেলিয়ার নেট রান রেট +০.৪৭৫। বর্তমান পরিস্থিতিতে কিন্তু প্রোটিয়ারাই সেমিফাইনালে পৌঁছনোর দৌড়ে এগিয়ে।