কলকাতা: ১৪ নভেম্বর ইডেন গার্ডেন্সে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ (IND vs SA)। দুই দলের প্রথম টেস্ট আয়োজিত হবে এই শহরেই। সেই ম্যাচের আগে ইতিমধ্যেই শহরে চলে এসেছে ভারতীয় দল (Indian Cricket Team)। রয়েছেন অধিনায়ক শুভমন গিল, কোচ গৌতম গম্ভীররা। প্রোটিয়া দলের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে আজ কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)।
গম্ভীর এ রাজ্যে আসলে প্রায়শই কীলাঘাটে পুজো দিতে যান। এবারও তাঁর অন্যথা হল না। বিকেলে ঠিক চারটের পর ভারতীয় দলের প্রধান কোচ টিম হোটেল থেকে বের হন। কালীঘাটে মায়ের মন্দিরে প্রণাম করা, পুজো দেওয়ার জন্য রওনা দেন তিনি। তবে গতকালই লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ হয়েছে। মারা গিয়েছেন বহু মানুষ। তারপরে কলকাতাতেও নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়েছে। এই হাইভোল্টজ ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তায় যাতে কোনওরকম ফাঁকফোকর না থাকে, তা সুনিশ্চিত করা হচ্ছে।
আজই পুলিশ কমিনশনার মনোজ ভার্মা বিকেলে ইডেনে পৌঁছেছিলেন। তিনিই জানিয়েছিলেন দুই দলের জন্যই কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। টিম ইন্ডিয়ার জন্য লালবাজারের কাছে বাড়তি সুরক্ষা চেয়েছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলও। যেহেতু দিল্লিতে গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেই কারণেই হঠাৎ হঠাৎ নাকা চেকিংয়ের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। OC, AC, DC-দের নিয়ে লালবাজারে পুলিশ কমিশনারের ভার্চুয়াল বৈঠকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, খবর সূত্রের।
ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের কালীঘাটে পুজো দেওয়ার জন্যও তাই কড়া নিরাপত্তা ছিল। তাঁর জন্য মন্দিরে থাকা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। গম্ভীরও বেশি সময় দাঁড়াননি। তিনি ১৫ মিনিট মন্দিরে ছিলেন। বেনজির নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে রাখা হয়েছিল গোটা মন্দির চত্বর। সেখানে কলকাতা পুলিশ আধিকারকরা তো ছিলেনই, কলকাতা পুলিশের তরফে আলাদা করে একটি ভ্য়ানও রাখা ছিল। এছাড়াও স্থানীয় থানার পুলিশও ছিল মন্দিরের আশেপাশে।
কোচ গৌতম গম্ভীরেরহোমটাউন আবার নয়াদিল্লি। লালকেল্লার সামনে কালকের বিস্ফোরণের বিষয়ে তাই তাঁকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। তবে সেই বিষয়ে গম্ভীর কোনও মন্তব্য করেননি। তড়ঘড়ি পুজো দিয়েই কালীঘাট মন্দির থেকে বেরিয়ে যান ভারতীয় দলের প্রধান কোচ। তাঁর আগমন থেকে মন্দিরে পুজো দিয়ে বের হওয়া, গোটা সময়টাই ছিল অভূতপূর্ব নিরাপত্তা বেষ্টনী।