দুবাই: ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন। দল থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল। মাঝে তিন বছরের ব্যবধান। ২০২৪ সালের শেষের দিকে তিনি ফিরলেন গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ে। আর একেবারে স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন। টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে দেশের জার্সিতে নিজের জায়গা একাদশে পাকা করে নিয়েছেন। কেরিয়ারের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে নেমেও প্রতি ম্য়াচেই দাপট দেখিয়েেন। ফাইনালে কিউয়িদের বিরুদ্ধেও জ্বলে উঠেছেন বল হাতে। নিজের ১০ ওভারের স্পেল ৪৫ রান খরচ করে তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। তাও আবার ব্যথা সহ্য করেই।
কিউয়িরা প্রথম ইনিংসে ৫০ ওভারের শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫১ রান বোর্ডে তুলে নেয়। বরুণ বলছেন, ''আজকের উইকেট সেমিফাইনালের উিকেটের থেকে কিছুটা ভাল। তবে খুব বেশি বল ঘুরছে না। আমি চেষ্টা করছিলাম নিজের পরিকল্পনামাফিক টানা বল করে যাওয়ার। ব্যাটার যাতে ভুল করে সেই অপেক্ষাতেই ছিলাম। পাওয়ার প্লে ও ডেথ ওভারে বল করাটা আমি পছন্দ করি ভীষণ। এটা চ্যালেঞ্জিং সময়। আর এই সময়টাতেই উইকেট তুলে নিতে পারি। কুলদীপের সঙ্গে কথা বলছিলাম। এই দলে আমি অনেকটাই নতুন। তাই সবার সঙ্গে আরও বন্ডিং শক্ত করার চেষ্টা করছি। পায়ের পাতায় ব্যথা এখনও রয়েছে। ফুলে যাচ্ছে মাঝে মাঝে। আরও কিছু পেইন কিলার খেতে হবে। আশা করি ব্যাটাররা এই রানটা তুলে নিতে পারবে।''
ফাইনালে বরুণ চক্রবর্তী উইল ইয়ং ও গ্লেন ফিলিপসকে ফিরিয়ে দেন। প্রথম ধাক্কাটা বরুণই দেন। ইয়ংয়ের পা স্টাম্পের সামনে পড়ে যায়। আর বরুণের বলে বোল্ড হয়ে যান ফিলিপস।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ থেকেই একজন বাড়তি স্পিনার খেলাচ্ছেন গৌতম গম্ভীর-রোহিত শর্মারা। হর্ষিত রানার পরিবর্তে খেলানো হচ্ছে বিস্ময় স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীকে। শামির সঙ্গে নতুন বলে বোলিং করছেন পেসার অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ড্য। সেই হার্দিক রবিবার ৩ ওভারে দিলেন ৩০ রান। সঙ্গে পড়ল একাধিক ক্যাচ। অন্তত পাঁচটি সুযোগ নষ্ট করলেন ভারতীয় ফিল্ডাররা। কখনও শামি, কখনও শুভমন গিল। এরই মাঝে ড্য়ারেল মিচেল অর্ধশতরান হাঁকিয়ে দিলেন। যদিও রান পাননি রাচিন রবীন্দ্র ও কেন উইলিয়ামসন।