দুবাই: দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন চলতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Champions Trophy 2025)। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শতরান। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ ৮৪ রানের ইনিংস। ফাইনালেও বিরাটের ব্যাট থেকে রান আসবে কি না সময়ই বলবে। তবে ফাইনালে খেলতে নামার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন বিরাট কোহলি। নিজের তৃতীয় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল খেলতে নামলেন কোহলি। এমনকী দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ৫৫০ আন্তর্জাতিক ম্য়াচ খেলে ফেললেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক।
বিরাটের আগে এই তালিকায় শুধু রয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের ২৪ বছরের দীর্ঘ কেরিয়ারে মোট ৬৬৪টি ম্য়াচ খেলেছেন। ২০১৩ সালে অবসর নিয়েছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। ততদিনে ২০০ টেস্ট, ৪৬৩টি ওয়ান ডে ও একটি টি-টোয়েন্টি ম্য়াচ খেলে ফেলেছেন সচিন। ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে বিরাট কোহলি ১২৩টি টেস্ট খেলেছেন। ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে ৩০২টি ম্য়াচ ও ৯৮টি টি-টোয়েন্টি ম্য়াচ খেলেছেন এখনও পর্যন্ত। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। তিনি ৯০টি টেস্ট, ৩৫০টি ওয়ান ডে ও ৯৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।
ফাইনালে আগে বিরাট কোহলির খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছিল। শনিবার, নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালের আগের দিন প্র্যাক্টিসে ব্যাটিং করার সময় হাঁটুতে বলের আঘাত পেয়েছিলেন বিরাট কোহলি। যিনি চলতি টুর্নামেন্টে দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন। কোহলিকে সঙ্গে সঙ্গে প্র্যাক্টিস থামিয়ে চোট পাওয়া হাঁটুর শুশ্রূষা করাতে হয়। ফিজিও এসে তাঁর হাঁটুতে মোটা করে স্ট্র্যাপ করে দেন। তারপর থেকেই জোর জল্পনা, ফাইনালে রবিবার আদৌ মাঠে নামতে পারবেন তো কিংগ কোহলি? এই দোলাচল চলছিলই। তবে রবিবার ম্যাচের দিন সকালে ভারতীয় শিবির থেকে পাওয়া গেল বড় আপডেট। জানানো হল, কোহলি ফিট। তাঁর খেলতে কোনও সমস্যা হবে না। যা জানার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
চলতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন কোহলি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লিগের ম্য়াচে সেঞ্চুরি করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ৮৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন। ফাইনালের আগে শনিবার দুবাইয়ের আইসিসি ক্রিকেট অ্য়াকাডেমিতে অনুশীলন সারছিল ভারতীয় দল। গোটা টুর্নামেন্টেই ভারত তাদের ম্য়াচগুলো দুবাইয়ে খেলছে। আর আইসিসি অ্য়াকাডেমিতেই নিজেদের অনুশীলন সারছে ভারতীয় দল। সেখানেই অনুশীলনের সময় চোট পান কোহলি। যদিও ফাইনালে পুরো সময়টাই ফিল্ডিং করেছেন বিরাট। তাঁকে কখনও অসুবিধেয় রয়েছেন, মনে হয়নি।