ম্যাঞ্চেস্টার: কেন তাঁকে মর্ডান ডে ক্রিকেটে ভারতের সেরা অলরাউন্ডার বলা হয়, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন রবীন্দ্র জাডেজা। সিরিজের শুরু থেকেই লোয়ার অর্ডারে ভরসা ছিলেন। লর্ডসে একা লড়েছিলেন। ম্য়াচ অল্পের জন্য বাঁচাতে পারেননি। যোগ্য সঙ্গ পাননি সেদিন। এদিন তাঁর উল্টোদিকে ছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। আর দুজনে মিলেই ইংল্যান্ডের শক্তিশালী বোলিং লাইন আপ সামলে ম্য়াঞ্চেস্টার ম্য়াচ ড্র করে দিলেন। ০ রানে ২ উইকেট হারানো ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শনিবার শুরু হয়েছিল চাপের মধ্যে। এদিন দু দলের খেলােয়াড়রা যখন হ্যান্ডশেক করে নিলেন তখন ভারতের স্কোর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪২৫/৪।
ম্য়াঞ্চেস্টারে দ্বিতীয় ইনিংসে শতরান হাঁকালেও। চলতি টেস্টে শেষ ছয়টি ইনিংসের মধ্যে পাঁচটি অর্ধশতরান হাঁকালেন জাডেজা। প্রথম এশিয়ান প্লেয়ার হিসেবে এই নজির গড়লেন জাডেজা। ইংল্য়ান্ডের মাটিতে প্রথম এশিয়ান ক্রিকেটার হিসেবে ব্যাট হাতে ১০০০ রান ও বল হাতে ৩০ উইকেট নেওয়ার নজির গড়লেন জাডেজা। ছয় নম্বর বা তার নীচে ব্যাটিং করতে নেমে প্রথম ভারতীয় হিসেবে সর্বাধিক পাঁচবার পঞ্চাশ বা তাঁর বেশি রানের স্কোর করার নজির গড়লেন জাডেজা।
আগের দিন ২ উইকেট হারিয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ক্রিস ওকসের বলে সাই সুদর্শন ও জশস্বী জয়সওয়ালের আউট হওয়ার পর মনে হচ্ছিল এই ম্য়াচ হয়ত হেরেই যাবে ভারত। কিন্তু গতকাল দিনের বাকি সময়টা আর কোনও উইকেট ফেলতে পারেননি ইংল্যান্ডের বোলাররা। কে এল রাহুল ও শুভমন গিল মিলে পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন।
পঞ্চম দিনে রাহুলের উইকেট প্রথম হারায় ভারত। অল্পের জন্য নিজের শতরান মিস করেন ডানহাতি ব্যাটার। ২৩০ বলে লড়াকু ৯০ রান করে আউট হন স্টোকসের বলে। আটটি বাউন্ডারি হাঁকান রাহুল। তিনি ফিরে গেলে ওয়াশিংটন সুন্দরের সঙ্গে জুটি বাঁধেন গিল। চলতি টেস্ট সিরিজে সাতশো বা তার বেশি রান করে ফেলেছেন ভারত অধিনায়ক। টেস্ট ফর্ম্য়াটে অধিনায়ক হিসে প্রথম ইংল্যান্ড সফরেই রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন গিলও। ওভাল টেস্ট জিতে আপাতত সিরিজ ড্র করাই লক্ষ্য থাকবে টিম ইন্ডিয়ার।