দুবাই: দীর্ঘ খরা কাটিয়ে গত শুক্রবারই অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতরান হাঁকিয়েছেন বাবর আজম (Babar Azam)। প্রাক্তন পাকিস্তান (Pakistan Cricket Team) অধিনায়ক শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে অপরাজিত ১০২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরাও নির্বাচিত হন। কিন্তু ঠিক তার পরের ম্যাচেই শাস্তি পেলেন বাবর আজম।
রাওয়ালপিন্ডিতে ১৬ নভেম্বর, রবিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তৃতীয় ওয়ান ডে ম্য়াচ খেলতে নেমেছিল পাকিস্তান। সেই ম্যাচেই আইসিসির নিয়মবিধি লেভেল ১ লঙ্ঘন করেন বাবর আজম। সেই কারণেই মঙ্গলবার, ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা তাঁকে শাস্তি দিল। আর্টিকেল ২.২ অনুযায়ী পাকিস্তানের মহাতারকা ক্রিকেটারের ম্যাচের বেতনের ১০ শতাংশ শাস্তিস্বরূপ কাটা যাবে।
আর্টিকেল ২.২-এ 'আন্তর্জাতিক ম্যাচে ক্রিকেটীয় সরঞ্জাম বা পোশাক, মাঠের সরঞ্জাম তথা ফিটিংয়ের প্রতি অপব্যবহার করা'র জন্য শাস্তি দেওয়া হয়। বাবর আজম তৃতীয় ওয়ান ডে ম্য়াচে পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের ২১তম ওভারে ৩৪ রানে আউট হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে স্টাম্পে আঘাত হানেন। মাঠ ছাড়ার আগেই নিজের এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের জেরেই বাবর আজমকে এই শাস্তি পেতে হল।
বাবর আজম আইসিসি প্যানেলের ম্যাচ রেফারি আলি নখভির দেওয়া শাস্তি মেনে নিয়েছেন। সেই কারণেই এই বিষয়ে আর কোনওরকম শুনানির প্রয়োজন হয়নি।
যোগরাজের মৃত্যু-ইচ্ছা
বারবার বিতর্কিত মন্তব্য করে শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। এবার আরও একবার আলোচনার কেন্দ্রে যোগরাজ সিংহ। বিশ্বজয়ী প্রাক্তন ভারতীয় অলরাউন্ডারের বাবা এবার মন্তব্য করলেন যে তিনি মৃত্যুর জন্য তৈরি। নিজের জীবনের থেকে মোহ মায়া ত্যাগ করেছেন তিনি। এমনকী জীবন থেকে আর কিছু ইচ্ছেও নেই বলে জানিয়েছেন যোগরাজ সিংহ। তিনি জানিয়েছেন, ''আমি সন্ধেয় ঘরে একা বসে থাকি। অচেনা লোক এসে আমাকে খাবার দিয়ে যায়। আমার বাড়িতে সবসময়ের জন্য কাজের লোক ও রাঁধুনী রয়েছে। তারা নিজেদের কাজ করে চলে যায়। আমি আমার মা, সন্তান, নাতি-নাতনিদের খুব ভালবাসি। কিন্তু কোনও দিন আমার চাহিদার কথা তাঁদের কাছে বলিনি। আমি এখনই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। আমার জীবনে আর কিছু পাওয়ার নেই। ঈশ্বর চাইলে আমাকে এখনই নিয়ে যেতে পারেন। আমি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ।”
যোগরাজের দু'টো বিয়ে করেছেন। কিন্তু কোনওটাই স্থায়ী হয়নি। প্রথম স্ত্রী শবনমের সঙ্গে তাঁর ছাড়াছাড়ি হয়। ছেলে যুবরাজের সঙ্গেও দূরত্ব বেড়েছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। যুবিকে ক্রিকেটার বানানোর জন্য যোগরাজ না কি রীতিমত অত্যাচার করতেন, যা শবনমও মেনে নিতে পারেননি। স্বামীর ঘর ছেড়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে পাঞ্জাবি অভিনেত্রী নীনা বুনধেলকে বিয়ে করেছিলেন। এই পক্ষেও যোগরাজের দুটো সন্তান রয়েছে। তবে যুবি ও তাঁর মায়ের ছেড়ে যাওয়ার ইস্যুতে বেশি আঘাত পেয়েছিলেন বলেই জানিয়েছেন যোগরাজ। তিনি বলেছিলেন, 'যুবরাজ ও তার মা শবনম বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় জীবনে সবচেয়ে বড় আঘাত পেয়েছিলাম। যে মহিলার জন্য আমি সারা জীবন উৎসর্গ করেছি, তারা কী ভাবে আমায় ছেড়ে চলে যেতে পারে?'