লন্ডন: দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকেই দীর্ঘকায় প্রোটিয়া তারকা নজর কেড়েছেন। বল হাতে রাবাডার সঙ্গে ওপেনিং ওভার করা, আবার প্রয়োজনে লোয়ার অর্ডারে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলা। টেস্ট, ওয়ান ডে, টি-টোয়েন্টি যে কোনও ফর্ম্য়াটেই নিজের জাত চিনিয়েছেন মার্কো ইয়েনসেন (Marco Jansen)। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার এই অলরাউন্ডারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বজয়ী প্রাক্তন অজি অধিনায়ক রিকি পন্টিং (Ricky Ponting)। 

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট চ্য়াম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলছেন। প্রথম ইনিংসে নিজের ১৪ ওভারের স্পেলে ৪৯ রান খরচ করে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ইয়েনসেন। ফিরিয়েছিলেন লাবুশেন, হেডের মত তারকাকে। পন্টিং বলছেন, ''ইয়েনসেনকে দেখলে বোঝা যায় না ওর মধ্য়ে কী চলছে। খুব একটা বাড়তি উৎসাহিত, সেলিব্রেশনের মেজাজেও কখনও দেখা যায় না ওকে। ড্রেসিংরুমেও নিরুত্তাপ থাকে। কিন্তু ওর মধ্য়েও বাকিদের মতই আক্রমণাত্মক মনোভাব রয়েছে মাঠের মধ্য়ে। তা খেলা দেখলেই বোঝা যায়।''

কিংবদন্তি অজি ব্য়াটার আরো বলেন, ''আমি মনে করি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে টেস্ট ফর্ম্য়াটে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার হয়ে উঠতে পারবে মার্কো ইয়েনসেন। পঞ্জাব কিংসের জার্সিতে ও আইপিএলে খেলেছে গত মরশুমে। ওর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা দারুণ। এখননও অল্প বয়স ওর। আর অসাধারণ প্রতিভা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আরও অনেক সাফল্য পাবে ইয়েনসেন।''

 

আইপিএলে পঞ্জাব কিংসের জার্সিতে খেলার সুবাদে পন্টিংয়ের সান্নিধ্যে এসেছিলেন মার্কো ইয়েনসেন। পঞ্জাবের এবার ফাইনালে ওঠার পেছনেও এই দীর্ঘকায় প্রোটিয়া তারকার অবদান ছিল বিশাল। 

এদিকে, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট পেলেও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে কিন্তু খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেননি ইয়েনসেন। মাত্র ১ উইকেটই ফেলতে পেরেছেন তিনি। 

অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ২০৭ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য প্রয়োজন ২৮১ রান। এখনও পর্যন্ত আইসিসি ইভেন্টে একবারই মাত্র জিততে পেরেছে প্রোটিয়া শিবির। ১৯৯৮ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর থেকে বারবা চোকার্স হতে হয়েছে। এবার কি বাভুমার দল পারবে? অজিদের হারিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব জিততে?