নয়াদিল্লি: আপাত অর্থে একটা অত্য়ন্ত সাধারণ ম্যাচ। যার ফলাফলের ওপর কোনওকিছুই তেমন নির্ভরশীল নয়। তবে হঠাৎ করেই দিল্লি বনাম রেলওয়েজের ম্যাড়ম্যাড়ে এক রঞ্জি ম্যাচে (Ranji Trophy) সমর্থকদের ঢল। কারণ একটা বা আরও স্পষ্ট করে বললে একজন। তিনি বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। 

৩৬ বছরের মহাতারকার এক যুগ পরে ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন। আর সেই প্রত্যাবর্তন দেখতেই অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে উপচে পড়ল সমর্থকদের ভিড়।  ডিডিসিএ সচিব অশোক কুমার শর্মা ম্যাচের প্রথম দিন মাঠে প্রায় ১০ হাজার দর্শক হতে পারে বলে আশা করছিলেন। গৌতম গম্ভীর স্ট্যান্ডও দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। ম্যাচ দেখতে কোনও প্রবেশমূল্য লাগবে না। আধার কার্ড আনলেই মিলবে ম্যাচ দেখার সুযোগ। তবে এত গেল মাঠে বসে খেলা দেখার বিষয়। যারা মাঠে যেতে পারবেন না, তাঁরা কীভাবে এই খেলা দেখবেন? তবে যা ভিড় হল, তাতে সব পরিকল্পনাই বদলাতে হল।

প্রাথমিকভাবে কোটলার ১৬ ও ১৭ নম্বর গেট খুলে রাখার কথা ছিল। কিন্তু দর্শকসংখ্যা এতটাই বেড়ে যায় যে তা বাধ্য হয়েই ডিডিসিএ-কে ১৮ নম্বর গেটও খুলে দিতে হয়। তাও অবশ্য ভিড় এড়ানো যায়নি। রিপোর্ট অনুযায়ী ম্যাচ দেখতে ঢোকার জন্য মাঠের বাইরে প্রায় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত লাইন অবধি পড়ে যায়। ম্যাচের দর্শকসংখ্যাও প্রথম দিনেই ১৫ হাজার পার করেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই ম্যাচ প্রাথমিকভাবে টেলিভিশনে দেখা হওয়ার কথা না থাকলেও, কোহলির উপস্থিতি কিন্তু সবটা বদলে দেয়। এই ঘটনাগুলিই কোহলি কেন 'কিং', তা প্রমাণ করে দেয়। 

 

মাঠমুখী দর্শকদের মুখে আরসিবির জয়ধ্বনি শোনা যায়, অনেকের পরনেও ছিল আরসিবির জার্সি। সবকিছু লক্ষ্য করেই ডিডিসিএ সচিব নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্যও অনুরোধ করেছেন বলে জানান। মাঠে রয়েছে প্যারা মিলিটারি। তবে শুরুতে অবশ্য নিরাপত্তার ঘেরাটোপ পার করে ম্যাচ শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই এক দর্শক মাঠে ঢুকে পড়েন। তিনি যে কার উদ্দেশে অনুপ্রবেশ করেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব মিলিয়ে একটাই কথা বলা চলে, কোহলি-জ্বরে কাবু কোটলা।

আরও পড়ুন: সম্ভবত কেরিয়ারের শেষ ম্যাচে নেমেছেন ঋদ্ধি, কিংবদন্তিকে সংবর্ধনা CAB-র, শুভেচ্ছা জানালেন সৌরভও