মুম্বই: গুজরাত টাইটান্সের বোলার সাই কিশোরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ আকাশ চোপড়া। আরসিবির বিরুদ্ধে মাঝের ওভারগুলোতে দারুণ বোলিং করেছেন তরুণ স্পিনার। বেঙ্গালুরুর ইনিংসের ১৫ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে যেভাবে ক্রুণাল পাণ্ড্যকে বোকা বানিয়ে কট অ্য়ান্ড বল করলেন তাতে অবাক হয়েছেন আকাশ চোপড়া। তিনি বলছেন, ''এখনের সময় অফস্পিনার সেভাবে আর দেখতে পাওয়া যায় না। তাও আবার বাঁহাতি অফস্পিনার। যদি একজন অফস্পিনারের ঝুলিতে ক্যারম বলও থাকে। সেক্ষেত্রে তো বাড়তি প্লাস পয়েন্ট তা।''
গতকাল ম্য়াচের পর সাই কিশোর বলেছিলেন, ''আইপিএলে চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশনে বোলিং করা আমি পছন্দ করি। এটা বেশ উপভোগও করছি প্রতি মুহূর্তে। আমি ক্যারম বল বেশ কয়েক বছর ধরে অনুশীলন করছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেভাবে কাজে লাগাইনি। কিন্তু এই প্রথমবার ক্যারম বল করলাম।''
গতকাল ম্য়াচে টস জিতে আরসিবিকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাত টাইটান্সের অধিনায়ক শুভমন গিল। অনেকে ভেবেছিলেন, যে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষকে শুরুতে ব্যাট করতে পাঠানো মানে তো কাঁধের ওপর বিরাট রানের বোঝা চাপিয়ে নেওয়া, সিদ্ধান্ত ব্যুমেরাং হবে না তো? যদিও অন্যরকম কিছু ভেবেছিলেন গুজরাত টাইটান্সের বোলাররা। এবং অবশ্যই মহম্মদ সিরাজ। ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন। আইপিএল নিলামের আগে তাঁকে রিটেন করেনি আরসিবিও। এমনকী, মেগা নিলাম থেকেও তাঁকে কেনেনি আরসিবি। গুজরাত টাইটান্স নিলাম থেকে হায়দরাবাদের পেসারকে কিনে নেয়।
সিরাজ জবাব দেওয়ার জন্য বেছে নিলেন আরসিবি ম্য়াচকেই। ৪ ওভার বল করে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট। শিকারের তালিকায়? ফিল সল্ট, দেবদত্ত পাড়িক্কল ও লিয়াম লিভিংস্টোন। পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে যায় আরসিবি। বিরাট কোহলি ব্যর্থ। মাত্র ৭ রান করে ফেরেন। তবু লিভিংস্টোনের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে বোর্ডে ভদ্রস্থ রান তুলেছিল আরসিবি। ১৬৯/৮ তোলেন রজত পাতিদারেরা। যদিও চিন্নাস্বামীর মতো বড় রান ওঠে এরকম মাঠে এই স্কোর যথেষ্ট কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিলই।
তবে শুরুতেই ভুবনেশ্বর কুমার শুভমন গিলের উইকেট তুলে নেওয়ার পর একটু আশার সঞ্চার হয়েছিল আরসিবি শিবিরে। যদিও সেই আশা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। সাই সুদর্শন ৩৬ বলে ৪৯ রান করেন। বাটলার ৩৯ বলে অপরাজিত ৭৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। দুজনে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৭ বলে ৭৫ রান যোগ করেন। সেখানেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়।