যাঁদের মধুমেহ বা সুগার রয়েছে, তাঁরা কি আম খেতে পারেন? এর উত্তর জানতে চান অনেকেই।
সারা বছর এই ফল পাওয়া যায় না বটে, তবে ৮ থেকে ৮০-র খুব প্রিয় ফল এই আম।
সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি আমের একাধিক গুণাগুণ ও রয়েছে যেগুলো মোটেই অস্বীকার করা যায় না।
আমি ভিটামিন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। পাশাপাশি এই ফল হয় ভীষণ মিষ্টি এবং সুস্বাদু
ডায়বেটিক রোগীরা আম ভালবাসলেও, রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ভয়েই অনেক সময় আম খেতে পারেন না।
তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, ডায়বেটিক রোগীরা পরিমিত পরিমাণে আম খেতে পারেন, তবে অত্যাধিক কখনোই নয়।
আমে গ্লাইসেমিক লোড কম থাকে, ফলে সামান্য পরিমাণে আম খেলে ডায়বেটিক রোগীদের ক্ষতি নেই।
আম খেলে তাৎক্ষণিকভাবে রক্তের শর্করা খুব বেশি বাড়ে না, ফলে বিপদের সম্ভাবনা কম
আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
আমে ম্যাঙ্গিফেরিন নামক একটি উপাদান থাকে, যা ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আম খাওয়ার পরে রক্তে শর্করার পরিমাণ সামান্য বাড়তেও তা মাত্রা ছাড়ায় না।