বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, পোস্ত বীজ পুষ্টির ভাণ্ডার।



প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং আয়রনের মতো পুষ্টি উপাদান প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।



পোস্ত বীজে থাকা জিঙ্কের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পোক্ত করে। গ্রীষ্মের মরসুমি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।



পোস্ত বীজে থাকে ম্যাগনেসিয়াম, যা ভালো ঘুমে সহায়ক।



এক গ্লাস গরম দুধে পোস্তদানা মিশিয়ে রাতে খাওয়ার অভ্যেস অনেকের আছে।



পোস্ত বীজ মেশানো শরবতও ঘুমে সহায়ক। দুধ খেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে মনে করেন অনেকে।



পোস্ত বীজের জল পাকস্থলীর pH ভারসাম্য বজায় রাখে। অ্যাসিডিটি এবং পেটের জ্বালা থেকে মুক্তি দেয়।



আয়ুর্বেদ অনুসারে, পোস্ত বীজের তেল ব্যথা উপশমকারী ।



পোস্ত বীজ দুধের সাথে পিষে মুখে লাগালে ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং ব্রণ কমে।



পাচনতন্ত্র সুস্থ রাখার জন্যও পোস্ত উপকারী। পোস্ত শরীরকে ঠান্ডা রাখে।