পেস্তা খেলে কমবে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা। তাই বলে মুঠো মুঠো পেস্তা খাবেন না।



পেস্তায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং খুব অল্প পিউরিন। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় পেস্তা। কমায় ইনফ্লেমেশনের সমস্যাও।



আখরোট খেলে কমবে শরীরে থাকা অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা। ভিটামিন ই, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপকরণ রয়েছে আখরোটে।



বাতের ব্যথায় কষ্ট পেলে আখরোট খেয়ে দেখতে পারেন। ব্যথা কিছুটা কমতে পারে। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।



আমন্ড খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। তার মধ্যে একটা হল আমন্ড খেলে ইউরিক অ্যাসিড কমে।



কম পিউরিন, বেশি ফাইবার এবং নিউট্রিয়েন্টস যুক্ত আমন্ড খেলে হজমের সমস্যাও কমে।



ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে কাজুবাদাম খেতে পারেন। তবে বেশি খেলে দ্রুত ওজন বেড়ে যাবে। তাই সতর্ক থাকুন।



কাজুতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা কিডনি ভাল রাখে। আর কিডনি ভাল থাকলে শরীরে থাকা অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বের করে দেয় সহজে।



খেজুর খেলেও ইউরিক অ্যাসিডের অতিরিক্ত পরিমাণ কমবে আপনার শরীরে। তবে অল্প পরিমাণে খেতে হবে রোজ।



খেজুরে থাকা পটাশিয়াম এবং ফাইবার শরীরের অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।