অনেক পুরুষের শরীরেই সময়ের আগে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ঘাটতি দেখা যায়। এর একাধিক কারণ রয়েছে।
টেস্টোস্টেরন পুরুষদের শরীরের একাধিক সামঞ্জস্য রক্ষা করে। ফলে এই হরমোনের ঘাটতি হওয়া একেবারেই ভাল নয়।
কেবল যৌন স্বাস্থ্যের জন্য, শরীরে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ও এই হরমোন জরুরি
টেস্টোস্টেরন হরমোনের ওঠানামা একজন পুরুষের পেশী শক্তি, শরীরের লোমের বৃদ্ধি ও মেজাজের ওপরেও প্রভাব ফেলে।
কেবল বয়স নয়, জীবনযাত্রার নানারকম অনিয়মের কারণেও পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে।
টেস্টোস্টেরনের মাত্রা সঠিক রাখতে সতর্ক থাকবেন কোন কোন বিষয়গুলি নিয়ে? দেখে নেওয়া যাক
কেবল বয়স বাড়ার জন্য নয়, একাধিক রোগ বা বিভিন্ন ওষুধের প্রভাবে শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে।
৩০ বছর বয়সের পরেই অনেক সময় শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
ডায়াবেটিস, স্থুলতা, লিভার বা কিডনির সমস্যা এমনকি এইচআইভির মতো রোগ থাকলেও শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে।
অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান ও মানসিক চাপের কারণেও শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে।
ঘুমের অভাব, পেইনকিলার ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ওষুধ খেলে তা টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়