শরীরের নানাবিধ কার্যকলাপ, যেমন, তরলের ভারসাম্য বজায়, তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা, অঙ্গপ্রতঙ্গের নমনীয়তা বজায় রাখার মত কাজ করতে জল জরুরি



এহেন শরীরে জল যদি কমে যায়, তাহলে কী যে হবে তা সহজেই অনুমেয়। শরীরে জলের ঘাটতি ডিহাইড্রেশন ঘটিয়ে শরীরকে কাবু করে ফেলবে।



শরীরে জলের যে ঘাটতি হচ্ছে, অবিলম্বে জল যে প্রয়োজন, তা বেশকিছু লক্ষণে বোঝা যায়। কোন কোন লক্ষণ



মাথা ভার হয়ে থাকা ও মাথার যন্ত্রণা বুঝিয়ে দেয়, শরীরে জলের প্রয়োজন রয়েছে।
শরীর জলের অভাবে শুকিয়ে গেলে মাথায় অক্সিজেনের প্রবাহ কমে যায়


ফোকাস কমে যাওয়া, চাপ, উদ্বেগ, ক্লান্তি, স্মৃতিশক্তি হ্রাস হলে দেখে নেওয়া দরকার, শরীরে জলের অভাব হচ্ছে না তো ?



মুখের দুর্গন্ধ বুঝিয়ে দিতে পারে শরীরের আরও জল প্রয়োজন। ঘাটতি হচ্ছে জলের।



শরীরে জলের ঘাটতি হলে কোষ্ঠকাঠিন্য অবধারিত। ডিহাইড্রেশনে অম্বল, বুকজ্বালার মতো লক্ষণও দেখা যায়।



নোনতা ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা অনেকসময় শরীরে জলের ঘাটতিকে ইঙ্গিত করে।



শরীরে জল কম থাকলে কমে যাবে প্রস্রাব। বদলে যাবে প্রস্রাবের রং। অতএব এই লক্ষণ দেখলেই জল খেতে হবে।



জলের প্রয়োজন হলে ক্লান্তি আসবে, ঠোঁট ও মুখ শুকিয়ে যাবে।
মাংসপেশি ও গাঁটে ব্যথাও শরীরে কম জলের লক্ষণ। এছাড়়াও বাড়তে পারে হৃদপিণ্ডের গতিও।


ডিসক্লেমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ।
এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।