Jawa 42 All stars : জাওয়া নিয়ে এল নতুন অল স্টার্স ভেরিয়েন্ট(Jawa 42)। এই মডেলে পাবেন জওয়ার সবথেকে বড় আপডেট। কার ব্লগারদের মতে, এবারের বাইকে ৬০টিরও বেশি বদল পাবেন আপনি। এর মধ্যে রয়েছে নতুন ধাঁচের স্টাইলিং, চওড়া রেয়ার টায়ার, নতুন অ্যালয় হুইল ও ওপরের দিকে বাঁকানো (আপসওয়েপ্ট) এক্সহস্ট। এর দাম শুরু হচ্ছে ১.৮০ লাখ টাকা (এক্স-শোরুম, দিল্লি) থেকে।
আপনি জাওয়া অলস্টারসে পাবেন বড় আপডেট নতুন জাওয়া অল স্টারস এখন জাওয়া ৪২ ববার, ৪২ এফজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্র্যান্ডটির তিনটি বাইক স্টাইলের রেঞ্জ কমপ্লিট করছে। জাওয়ার তরফে বলা হয়েছে, এই বাইক কোম্পানির ফ্ল্যাগশিপ মডেল। ইতিমধ্যেই ভারতের বাজারে রয়্যাল এনফিল্ডের পর এটি ক্লাসিক ক্যাটেগরির একটি বাইক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে জাওয়া। মর্ডান টেকনোলজির সঙ্গে এই বাইকে রয়েছে ক্লাসিক ক্রুজারের মিশেল।
নতুন রয়েছে বাইকে ?এবার এই বাইকে পাবেন সবথেকে বেশি পরিবর্তন। সবচেয়ে লক্ষণীয় পরিবর্তনগুলি এসেছে মোটরসাইকেলটির স্ট্যান্স। এর রেয়ার বা পিছনের অংশেও বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে রয়েছে নতুন ডিজাইনের সাইড প্যানেল, একটি চওড়া রেয়ার ফেন্ডার, নতুন অ্যালয় হুইল ও আরও কম্প্যাক্ট আপসওয়েপ্ট টুইন-এক্সহস্ট সেটআপ। পিছনের টায়ারটি এখন একটি চওড়া ১৫০/৭০-১৭ ইউনিট, যা ৪২-কে একটি প্রশস্ত ফুটপ্রিন্ট দিয়েছে। সিটটিও নতুন করে ডিজাইন করা হয়েছে ও এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ফ্ল্যাট, বেঞ্চের মতো প্রোফাইলটি বজায় রেখে এতে অতিরিক্ত কুশন যোগ করা হয়েছে।
কী থাকছে এবারের চ্যাসিস ও ইঞ্জিনেআপনি যদি বাইকটির বাইরের রূপের দিকে দেখেন, তাহলে এর স্টাইলিংয়ে পরিবর্তন দেখতে পাবেন। এখন এর ওজন, ফ্রেম ও সুইংআর্ম, এরগোনোমিক্স, হ্যান্ডলিং ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানি জানিয়েছে, এই পরিবর্তনগুলির লক্ষ্য হল 'জাওয়া ৪২'-এর সহজ ও সাবলীল ব্যবহারের বৈশিষ্ট্যটি বজায় রেখেই এটিকে আরও আগ্রাসী করে তোলা।
কতটা শক্তিশালী ইঞ্জিন পাওয়া যাবে এবারমনে রাখবেন এখানে আগের জাওয়া ৪২ মডেলে আগের মতোই ২৯৪.৭২ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন দেওয়া হয়েছে। এতে পাবেন ফোর-স্ট্রোক, লিকুইড-কুলড ডিওএইচসি (DOHC) ইঞ্জিন। যার সঙ্গে রয়েছে ৬-স্পিড কনস্ট্যান্ট-মেশ গিয়ারবক্স। এই ইঞ্জিন ৭,৯৫০ আরপিএম (rpm)-এ ২৭.১৯ হর্সপাওয়ার ও ৬,০০০ আরপিএম-এ ২৬.৩ নিউটন-মিটার টর্ক উৎপন্ন করে।
ব্রেকিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে এতে রয়েছে ২৮০ মিমি সামনের ডিস্ক ও ২৪০ মিমি পেছনের ডিস্ক ব্রেক এবং ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস (ABS) সুবিধা। সাসপেনশন হিসেবে সামনে রয়েছে ৩৫ মিমি টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পেছনে রয়েছে গ্যাস-ফিল্ড টুইন শক অ্যাবজর্বার, যাতে অ্যাডজাস্টেবল প্রি-লোড সুবিধা রয়েছে। বাইকটির ওজন ১৭৫ কেজি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এবং এর হুইলবেস ১,৩৬৯ এমএম ও গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৭৩ এমএম।
আরও পড়ুন : ভারতে মারুতির এই ইভি এলে বদলে যাবে কার মার্কেট, জাপানে হচ্ছে লঞ্চ
Car loan Information:
Calculate Car Loan EMI