ভারতে এখনও পেট্রোল বা ডিজেলের দাম না বাড়লেও বিশ্ব জুড়ে কিন্তু দাম বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের। আর এই পরিস্থিতিতে যাঁরা গাড়ি কিনতে চলেছেন তাঁদের মাথায় একটাই জিনিস নিয়ে চিন্তা আসা স্বাভাবিক। সেটা হল গাড়ির মাইলেজ। বর্তমানে একটু কম দামে ডিজেল গাড়ির অপশন অনেক কমে গিয়েছে। আর এই দামের মধ্যে ইলেকট্রিকের অপশনও কম। সেই কারণেই এই বাজেটে অনেকেই সিএনজি ভ্যারিয়েন্টের দিকেই ঝুঁকছেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে টাটার অ্যালট্রোজ - এর iCNG ভ্যারিয়েন্টের লং টার্ম রিভিউ কিন্তু নেহাত মন্দ নয়। নতুন ফেসলিফ্টেড অ্যালট্রোজ iCNG-তে বড় কোনও বদল না এলেও এই গাড়িটি কম দামে দারুণ হ্যাচব্যাকের অন্যতম একটা উদাহরণ। নতুন ফ্ল্যাশ ডোর হ্যান্ডেল ও নতুন আলোর ব্যবহার রাতের দিকে এই গাড়ি চালানো আরও সহজ করে তোলে। যদিও নতুন অবস্থায় এই গাড়ি চালানো একটু সমস্যা হতে পারে।
এই গাড়ির ভিতরের ডিজাইনেও এসেছে দারুণ কিছু বদল। নতুন স্টিয়ারিং হুইল এই গাড়িকে দিয়েছে একটা প্রিমিয়াম লুক। এ ছাড়াও এই গাড়িতে রয়েছে বড় টাচ স্ক্রিন ও গাড়ির প্রিমিয়াম কোয়ালিটি, সব মিলিয়ে এই গাড়ির ভিতরের ডিজাইন দুর্দান্ত। এই গাড়িতে একটা ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা, অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিং, সানরুফ, ওয়্যারলেস চার্জিং; সবই রয়েছে। যদিও কোনও ভেন্টিলেটেড সিট এই গাড়িতে নেই।
এই গাড়িতে রয়েছে ফ্যাক্টরি ফিটেড টুইন সিলিন্ডার সিএনজি প্রযুক্তি। এর ফলে গাড়ির বুট স্পেস নষ্ট হয় না। গাড়ির ১.২ লিটার পেট্রোল ইঞ্জিন সিএনজিতে চললে কিছুটা কম শক্তি উৎপন্ন করে। তা হলেও এই গাড়ি শহরের রাস্তায় বেশ ভালই চলে। তবে, হাইওয়েতে এই গাড়ি একটু কম শক্তি উৎপন্ন করে।
এই গাড়ির সব থেকে বড় চমক হল এই মাইলেজে। সিএনজি ভ্যারিয়েন্টে এই গাড়ির মাইলেন প্রতি কেজিতে প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এ ছাড়াও পেট্রোলে এই গাড়ি চলে প্রতি লিটারে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ কিলোমিটার।
এই গাড়ির গঠন যথেষ্ট মজবুত ও গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সও নজর কেড়েছে। এই গাড়ির দাম শুরু মাত্র ৭ লক্ষ টাকা থেকে। আর এর টোপ ভ্যারিয়েন্টের দাম ১০ লক্ষ টাকা পেরিয়ে যায়। সব মিলিয়ে যারা অনেক দূরত্ব যাতায়াত করেন ও খরক কমাতে চান, তাঁদের জন্য Altroz iCNG একটা দারুন অপশন।
Car loan Information:
Calculate Car Loan EMI