কলকাতা : দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষায় অবসান ঘটল অবশেষে। বহু টানাপোড়েনের পর রাজ্যে সরকার বদলাতেই চালু হচ্ছে ১০০ দিনের কাজ। স্বভাবতই খুশির হাওয়া বইছে রাজ্যের সাধারণ। আবারও তাঁরা কাজ পাবেন। যে প্রকল্পের কাজ তৃণমূলের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দুর্নীতির অভিযোগে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্র, সেই প্রকল্প ফের চালু হচ্ছে বাংলায়।
১০০ দিনের কাজেও হয়েছে ব্যাপক দুর্নীতি। এই দুর্নীতি রুখতে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে নবান্ন। জেলাশাসকদেরও কড়া চিঠি নবান্নের। ইতিমধ্যেই সব জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়েছে নবান্ন। ১০০ দিনের কাজ শুরুর কথা জানিয়ে রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, ১ জুলাই থেকে চালু হচ্ছে ১০০ দিনের কাজের নতুন প্রকল্প। এবার থেকে দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছভাবে কাজ করতে হবে, কড়া নির্দেশ নবান্নের। আগের সরকারের গাফিলতিরও উল্লেখ রয়েছে নবান্নের চিঠিতে। 'অপর্যাপ্ত পরিকল্পনা, অতিরিক্ত প্রকল্প অনুমোদন', 'দুর্বল তদারকি', 'কাজের পরিমাপ ও যাচাইয়ে ত্রুটি', এই সমস্ত নিষ্পত্তিতে গাফিলতির উল্লেখ আছে নবান্নের চিঠিতে। আরও পড়ুন - পঞ্চায়েতে বিরাট নিয়োগ ঘোষণা, শুরু হবে ১০০ দিনের কাজ, দিলীপ ঘোষ জানালেন আগামীর ব্লু প্রিন্ট
উল্লেখ্য, একটি সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপ ঘোষ ১০০ দিনের কাজের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, 'পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে সাবলীল ও দুর্নীতিমুক্ত করতে চাই। গ্রামোন্নয়ন দফতরের সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু'। 'পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন দফতর সব কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু করেছে। গ্রাম সড়ক যোজনায় ২৭৯০ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা, ও সেতু তৈরি হবে। ২৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে গ্রাম পঞ্চায়েতে। জব কার্ডধারী পরিবারগুলিকে প্রাপ্ত টাকা দেওয়া হবে। ১০০ দিনের কাজও শুরু হবে'।
১০০ দিনের কাজের পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ আবাস যোজনা নিয়েও বার্তা দেন। তিনি জানান, 'আবাস যোজনায় সব তথ্য ও নথি দেখে নিয়ে অনুমোদনের পর টাকা দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীনের জন্য সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। জেলা উন্নয়ন পর্যবেক্ষকরা কাজ করবেন দিশা কমিটির অধীনে। সেখানে সাংসদ, বিধায়ক, জেলাশাসকরা থাকবেন। পঞ্চায়েতে ৬৫৩৬ পদে নিয়োগ হবে। ১১১৫৪ পদে একযোগে নিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।'
