অর্ণব মুখোপাধ্য়ায় ও সমীরণ পাল, কলকাতা: ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ডিটেনশন! একদিকে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের সব জেলায় অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। অন্য়দিকে, এরাজ্য়ে বিজেপি সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের মুখে শোনা গেছে ডিটেনশন-হুঁশিয়ারি! 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, নবান্নে লোকায়ুক্ত নিয়োগ নিয়ে সোমবার বৈঠক, ডাক পেয়েও কেন যাবেন না ? জানালেন শুভেন্দু

Continues below advertisement

উত্তরপ্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র বলেন, অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে কেউ ধরা পড়লে ওদেরকে প্রথমে ডিটেনশন ক্য়াম্পে রাখা হবে। বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, ধরপাকড় হওয়া মানেই ডিটেনশন। ডিটেনশন থেকে ডিটেনশন সেন্টার SIR আবহে এই শব্দগুলো এখন চারদিকে ভেসে বেড়াচ্ছে! যা ঘিরে এখন জোর জল্পনা গুঞ্জন! ধোঁয়াশা! প্রশ্ন! সূত্রের দাবি, বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্য়নাথ প্রশাসন সম্প্রতি সমস্ত জেলা প্রশাসনকে অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে।উত্তরপ্রদেশ (স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও ভোকেশনাল এডুকেশন), মন্ত্রী কপিল দেব আগরওয়াল বলেন, যারা অনুপ্রবেশকারী  এখানকার জনবিন্য়াস বদলানোর চেষ্টা করে, এই সমস্ত লোককে মুখ্য়মন্ত্রী যোগী আদিত্য়নাথ চিহ্নিত করে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।  এরইমধ্য়ে বিজেপি সাংসদ এবং কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের মুখে শোনা গেছে ডিটেনশনের হুঁশিয়ারি!বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী  শান্তনু ঠাকুর বলেন, বাংলাদেশি মুসলমান রোহিঙ্গারা তো ফিরে যেতেই হবে। ধরপাকড় হওয়া মানেই ডিটেনশন। একদম সোজা। মুখ্যমন্ত্রী বাঁচাতে পারবে? মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা আছে? অসমে NRC-র সময় ডিটেনশন ক্য়াম্প! হিন্দু মুসলমান ভারতীয় বাংলাদেশি এসব নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। NRC-র সঙ্গে জড়িয়ে ছিল নাগরিকত্বের বিষয়টি। এখন অবশ্য় পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ-সহ ১২টি রাজ্য়ে চলছে SIR। যার সঙ্গে আপাত দৃষ্টিতে NRC-র কোনও সম্পর্ক নেই! তবে এরইমধ্য়ে উত্তরপ্রদেশে অস্থায়ী ডিটেনশন সেন্টার তৈরির তোড়জোড় ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্তা তুঙ্গে!

প্রসঙ্গত, রাজ্য জুড়ে SIR চলছে, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে রাজনৈতিক তরজা।সম্প্রতি জলপাইগুড়ির মালবাজারে SIR-এর কাজের চাপে BLO-র মৃত্য়ুর অভিযোগ উঠতেই, তা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে এক্স পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছিলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন আরও প্রাণহানির আগে এই অপরিকল্পিত অভিযান বন্ধ করুন।এর পাল্টা, বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'উনি আর ওঁর ভাইপো আর প্রতীক জৈন একটা মিটিং করেছেন, আইপ্যাক আর পুলিশ রিপোর্ট করেছে, ১ কোটি ১৫ লক্ষ মতো বাদ যেতে পারে।'