BJP News: আমি টানাটানি করি না, নিজে পিছনে থেকে অন্যকে এগিয়ে দিই’, বিধাননগরে BJP-র ফ্লেক্স থেকে বাদ, মুরলিধর সেন লেনে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য দিলীপের
Dilip Ghosh: শুক্রবার বিধাননগরে রাজ্য বিজেপি-র সদর দফতর সাজানো হয়েছিল নতুন ফ্লেক্সে।

কলকাতা: মুরলিধর সেন লেনে রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে বিজয়া সম্মিলনী উদযাপন করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রায় এক বছর পর সেখানে পা রাখলেন দিলীপ। আর তাঁকে দেখে কার্যতই আবেগ বাঁধ ভাঙল দলীয় কর্মীদের। তাঁর নামে স্লোগান উঠল। গলা পরানো হল মালা। অথচ একদিন আগে, বিধাননগরে রাজ্য বিজেপি-র সদর দফতরে উহ্য ছিল দিলীপের অবদান। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই রকমের ছবি উঠে আসায়, বিজেপি-র অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখতে পাচ্ছে তৃণমূল। (Dilip Ghosh)
শুক্রবার বিধাননগরে রাজ্য বিজেপি-র সদর দফতর সাজানো হয়েছিল নতুন ফ্লেক্সে। সেখানে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ছবির পাশাপাশি, ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘ এবং পরবর্তীতে ২০১৪, ২০১৬, ২০২১, ২০২৪ সালে বিজেপি-র নির্বাচনী সাফল্যের উল্লেখ ছিল। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দিলীপের নেতৃত্বে বিজেপি-র ১৮ আসনে জয়ী হওয়ার কোনও উল্লেখ চোখে পড়েনি। দিলীপের নাম বাদ রাখা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হতে সময় লাগেনি তাই। (BJP News)
আর সেই আবহেই, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুরলিধর সেনে অন্য ছবি ধরা পড়ল মুরলিধর সেন লেনে বিজেপি-র দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে কর্মীদের নিয়ে বিজয়া সম্মিলনী উদযাপন করতে পৌঁছন সস্ত্রীক দিলীপ। তাঁকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন দলীয় কর্মীরা। মালা পরানো, মিষ্টিমুখ, কিছুই বাদ যায়নি। স্লোগান ওঠে, 'দিলীপ ঘোষ জিন্দাবাদ', 'জয় শ্রীরাম'। তাহলে কি বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের কোমর বেঁধে নামছেন দিলীপ? প্রশ্ন উঠছে।
যদিও বিধাননগরে দলের সদর দফতরের ফ্লেক্সে কেন বাদ পড়লেন তিনি, তা নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, "এ নিয়ে আমার কিছু বলার নেইয় কেউ হয়ত লাগিয়েছে। কী উদ্দেশ্যে লাগিয়েছে আমার জানা নেই। আমি তো কাউকে নিয়ে টানাটানি করি না! আমি ঠেলে দিই, যে যাও লড়াই করো। এই রাজনীতিই করে এসেছি আমি। আমি সবার পিছনে থাকি।"

এই ফ্লেক্সে ২০১৯ সালে দিলীপের নেতৃত্বে জেতা ১৮ আসনের উল্লেখ নেই।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ফের কি নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে দিলীপকে? তিনি বলেন, "এই পার্টি অফিস, ৬ নম্বর মুরলিদর সেন লেন আমাদের কাছে প্রেরণার জায়গা। এখান থেকেই ৪ শতাংশের দল ৪০ শতাংশ হয়েছে। আমি একজন সাধারণ কর্মী। দল আমাকে যখন যে দায়িত্ব দিয়েছে, আমি পালন করেছি। আমরা দলের কর্মী হিসেবে কাজ করি। আমি দলের সাধারণ কর্মী। পার্টি যাঁকে যোগ্য মনে করে দায়িত্ব দেয়। আমরা পালন করি দায়িত্ব পালনের।"
যদিও বিজেপি থেকে দুই রকম ছবি উঠে আসায়, কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। দলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, "অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকায়ে যায়। দিলীপ ঘোষকে তো নিশ্চিত ভাবে কোণঠাসা করা হয়েছে!"























