কলকাতা: ED-তল্লাশিতে তুলকালাম, সুপ্রিম কোর্টে গেল ED, জোড়া পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। একটি পিটিশন দাখিল করা হয়েছে ED-র তরফেএবং অন্য পিটিশন দাখিল করেছেন ED-র ৩ অফিসার। এই ইস্যুতে এবার  'মনোজ বর্মা ও রাজীব কুমার'-কে 'ব্যাগ গোছাতে' বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, এবার প্রতীক জৈনের আবাসনের বাসিন্দাদের তলব পুলিশের 

Continues below advertisement

শুভেন্দু বলেন, 'কলকাতা পুলিশ নিজেই ফেঁসে বসে আছে,একটু আগেই আমি পেয়েছি, ইডি সুপ্রিম কোর্টে কেস ফাইল করেছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং স্বরাষ্ট্র দফতর-পুলিশ দফতরের বিরুদ্ধে। মনোজ বর্মা , রাজীব কুমার ব্যাগটা গোছান।' অপরদিকে, এই ইস্যুতে সৌগত রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে রক্ষা করা, তাঁকে দেখা সেটাই রাজ্য পুলিশের কাজ, রাজ্য প্রশাসনের কাজ। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে গিয়েছেন, সেখানে নিশ্চয়ই যাবেন, যারা রাজ্যের আধিকারিক আছেন। তাঁরা গিয়ে ঠিক করেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে প্রোটেক্ট করা তো রাজ্য প্রশাসনেরই।  

প্রশ্ন : মুখ্যমন্ত্রী তো বলছেন, তিনি তৃণমূল নেত্রী হিসেবে গিয়েছেন..

সৌগত রায়: লোকটা তো একই। এখন পর্যন্ত, হাইকোর্ট কোনও অর্ডার দেয়নি। শুনানি বাতিল হয়ে গিয়েছে, ১৪ তারিখ আবার হবে, সুতরাং ঠিক করেছেন কি ভুল করেছেন, সেটা কোর্ট বিচার করবে। কিন্তু রাজ্য সরকার বলেছে যে ইডি, তৃণমূলের সপব কাগজপত্র নিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেইটাই তৃণমূলের বক্তব্য। ..যা হয়েছে ঠিকই হয়েছে।

লাউডন স্ট্রিটে আইপ্য়াকের কর্ণধারের বাড়িতে এবং সেক্টর ফাইভে আইপ্য়াকের অফিসে ED অভিযান, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশির মধ্য়েই মুখ্য়মন্ত্রীর সেখানে ঢুকে পড়া, তারপর ফাইল এবং নথি নিয়ে বেরিয়ে আসা, বৃহস্পতিবারের তুলকালাম এই কাণ্ডে এবার জল গড়াল সুপ্রিম কোর্টে। শনিবারই সর্বোচ্চ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছিল রাজ্য সরকার। আর সোমবার এই ঘটনায় জোড়া মামলা দায়ের করা হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে। একটি মামলা দায়ের করেছে ED।

 অপর মামলাটি দায়ের করেছেন বৃহস্পতিবার তল্লাশি উপস্থিত থাকা ED-র তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলাওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে দুটি মামলার ক্ষেত্রেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের পক্ষ করা হয়েছে। ED-র জোড়া মামলায় প্রথমেই নাম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। মামলায় দু'নম্বর পক্ষ হিসেবে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। এরপরেই রয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের নাম। ED-র মামলায় পরবর্তী নাম কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। মামলায় ৫ নম্বর পক্ষ করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের ডিসি সাউথ প্রিয়ব্রত রায়কে। গোটা ঘটনায় সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকেও জোড়া মামলায় পক্ষ করেছে ED।