ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা: দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে 'অপহরণ করে খুন', নাম জড়াল BDO-র। এবিপি আনন্দে বিস্ফোরক দাবি নিউটাউনের ফ্ল্যাটের কর্মচারী অশোক করের। এবার এবিপি আনন্দ-কে টেলিফোনে এই প্রসঙ্গ প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজগঞ্জের প্রশান্ত বর্মন। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, বালি পাচার মামলায় প্রথম গ্রেফতার ED-র, কার হাতে হাতকড়া পরাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর সংস্থা ?

Continues below advertisement

প্রশ্ন: বিধান নগর দক্ষিণ থানায় আপনার বিরুদ্ধে একটা এফআইআর হয়েছে। খুন, অপহরণ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং চুরি, এই গোটা বিষয়টা নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া ? প্রথম হচ্ছে গত মঙ্গলবার দিন, আপনি দত্তাবাদ থেকে নীল বাতি একটা গাড়ি, এবং আরেকটা গাড়িতে করে, দুই জনকে গাড়ির মালিক, এবং যিনি স্বর্ণ ব্যবসায়ী, তাঁদেরতে তুলে নিয়ে এসেছেন, এই গোটা বিষয়টা নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া কী ? 

প্রশান্ত বর্মন : আমি এরকম কোনও অন্যায় কাজ করিনি। আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। এটা শুধু এবার প্রথম নয়, প্রায় এই চক্রান্ত কিছু অসাধু লোক করছে। আইন-আদালত আছে। আর আমার নামটাকে ব্যবহার করা হচ্ছে কালিমালিপ্ত করবার জন্য। 

প্রশ্ন:  কিন্তু আপনার ছবিতো, যারা যারা অভিযোগকারী থেকে শুরু করে যারা ভিকটিম, তারা আইডেন্টিফাই করছে, যে আপনি এসেছিলেন, এবং সেটা আজকেও অশোক কর বলে একজন এবিপি আনন্দ-এর মুখোমুখি হয়েছিলেন,তিনি পরিষ্কারভাবে বললেন যে.. ..নিউটাউনে আপনার কি কোনও ফ্ল্যাট আছে ?

প্রশান্ত বর্মন : আপনারা যদি এরকম কোনও দলি বা কাগজ দিতে পারেন, যে আমার নামে ফ্ল্যাট আছে, ..স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কথা স্বর্ণ ব্যবসায়ী জানবে। পুলিশ তদন্ত করছে, আমাকে যদি ডাকে, আমি সহযোগিতা করব।

দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে নতুন তথ্য। এই ঘটনায় এবার মুখ খুললেন অশোক কর নামে এক ব্য়ক্তি। তাঁর দাবি, BDO-র বাড়ি থেকে সোনা চুরি করেছিলেন তিনি। সেজন্য় তাঁকে এবং স্বর্ণ ব্য়বসায়ীকে BDO-র উপস্থিতিতে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন অশোক কর। যদিও, BDO সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।স্বর্ণ ব্য়বসায়ীকে অপহরণ এবং খুনের মতো মারাত্মক অভিযোগে নাম জড়িয়েছে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের BDO প্রশান্ত বর্মণের।

সাড়া ফেলে দেওয়া এই ঘটনা নিয়ে, এবার চাঞ্চল্য়কর দাবি করলেন অশোক কর নামে এই ব্য়ক্তি! স্বপন কামিল্য়া নামে নিহত স্বর্ণ ব্য়বসায়ীর ভগ্নীপতির দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ ছিল, আমার বোনের বরের দোকানের মালিক গোবিন্দ বাগ, আমার বোনকে ফোন করে বলে যে, প্রশান্ত বর্মন নামে একজন BDO আমার বোনের বরের খোঁজে, নাকি তাঁর দোকানে এসেছে, কারণ হিসাবে বলে যে, ওই BDO-র বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া সোনার জিনিস নাকি আমার বোনের বরের দোকানে বিক্রি করা হয়েছে। 

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয় যে, দুটি গাড়ি করে, যার মধ্যে একটি সাদা ও একটি কালো, নীল বাতি লাগানো, পাঁচ-ছয় জন লোক দোকানের সামনে আসে, যার মধ্যে একজন নিজের পরিচয় দেন যে, তিনি BDO এবং তার নাম প্রশান্ত বর্মন। ফোনে কিছু কথা বলার আগেই, ওরা আমার বোনের বরকে ও দোকানের মালিককে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়।BDO শুরুতে দাবি করেছিলেন, তাঁর বাড়িতে এরকম কোনও চুরির ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু এবার অশোক কর নামে এই ব্য়ক্তি দাবি করলেন, BDO-র বাড়ি থেকে সোনা চুরি করেছিলেন তিনি।