Mamata Banerjee: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝির অস্বাভাবিক মৃত্যু, ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার
Mamata Banerjee's Niece Dies: তৃণমূলনেত্রীর ভাইঝি বৃষ্টি ঘটক মুখোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল।

রামপুরহাট, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়: মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পরিবারে শোকের ছায়া। তৃণমূলনেত্রীর ভাইঝির রহস্যমৃত্যু। মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল ঝুলন্ত দেহ। ব্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন চলছিল তাঁর। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল স্বামীর সঙ্গে। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তদন্ত শুরু হয়েছে বিষয়টি নিয়ে। (Mamata Banerjee's Niece Dies)
রামপুরহাটের কুসুম্বা তৃণমূলনেত্রীর ভাইঝি বৃষ্টি ঘটক মুখোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। মমতার মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে তিনি। বাড়ির এক সদস্য বলেন, "ছেলের পৈতে হয় যখন, পার্মানেন্ট থাকতে লাগল। তার আগে হাসপাতালে ভর্তি করত আর এখানে দিয়ে যেত। ওর বর অনেকদিন আগেই বের করে দিয়েছে। ডিভোর্স করেনি। মামলা চলছে। আমরা মামলা করেছি। ১২ বছরের একটা বাচ্চা আছে।" পরিবার জানিয়েছে, বৃষ্টির দুই সন্তান। (Mamata Banerjee)
আরও পড়ুন: গুলিতে ঝাঁঝরা জনপ্রিয় গায়ক, পর পর ২০টি…কানাডা-আমেরিকায় বসে ষড়যন্ত্র?
বাপের বাড়িতে, উপরের তলার বারান্দায় বৃষ্টি গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়েন বলে দাবি পরিবারের লোকজনের। এদিন বাড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায় লোকে লোকারণ্য। দাম্পত্যজনিত টানাপোড়েনের কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন কি না, তা এখনই স্পষ্ট হয়নি। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি তৃণমূলনেত্রী।
পরিবার সূত্রে খবর, বেশ কয়েক মাস ধরেই বাপের বাড়িতে থাকছিলেন বৃষ্টি। আজ সকালেও স্বাভাবিক ছিলেন তিনি। কথা বলেছেন সকলের সঙ্গে। ১১টা নাগাদ উপরে যান। সেখানে সিলিং ফ্যানে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়েন। অনেক ক্ষণ নীচে নামছেন না দেখে পরিবারের লোকজন উপরে ওঠেন। সেখানেই ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায় বৃষ্টিকে।
আরও পড়ুন: বিবাহবিচ্ছেদের পথে তারকাদম্পতি, মাত্র পাঁচ মাস আগে বিয়ে হয়েছিল
এর আগে, ২০২৩ সালে প্রথমবার খবরের শিরোনামে উঠে আসেন বৃষ্টি। বোলপুর আপার প্রাইমারি স্কুলে গ্রুপ সি কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। হাইকোর্টের নির্দেশে হাজার হাজার চাকরি গেলে, চাকরি হারান বৃষ্টিও। সেই সময় জানা যায়, চাকরি পেলেও কাজ করেননি বৃষ্টি। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি। সেই সময় মমতার মামাতো ভাই জানিয়েছিলেন, কারও সুপারিশে চাকরি পাননি বৃষ্টি। নিজের যোগ্যতায় অশিক্ষক কর্মী হিসেবে চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জেরে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। কোনও বেতনও তোলেননি তিনি।
এবার বৃষ্টির মৃত্যুর অস্বাভাবিক খবর সামনে এল। গোটা ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন কি না, উঠছে প্রশ্ন। পরিবার সূত্রে জানা যাচ্ছে, মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বৃষ্টি। একদিকে চাকরিপর্ব, অন্য দিকে পারিবারিক সমস্যায় ভেঙে পড়েছিলেন। আকস্মিক এই ঘটনায় থমথমে গোটা গ্রাম। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা পরিবারে। ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে বৃষ্টির দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেই রিপোর্ট হাতে আসার অপেক্ষা চলছে।
Before You Go
Indranil Sen Arrested: ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে নতুন ধারা যুক্ত করার আর্জি পুলিশের | ABP Ananda






















