Cooch Behar News: ভোটের পর থেকে বাড়িছাড়া, ফিরতেই বিক্ষোভ, অগ্নি সংযোগ, NCPI সাংসদ বললেন, ‘আমি তৃণমূল নই, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খেতে ডাকেন’
Jagadish Chandra Barma Basunia: কোচবিহারে জগদীশ বাসুনিয়া ফিরতেই বিক্ষোভ, আগুন তৃণমূলের পার্টি অফিসে। উত্তেজনা চরমে।

শুভেন্দু ভট্টাচার্য, সিতাই: কোচবিহারের NCPI সাংসদ জগদীশ বর্মা বাসুনিয়া বাড়ি ফিরতেই উত্তেজনা এলাকায়। তাঁর বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় তৃণমূলের পার্টি অফিসে। সেই নিয়ে উত্তাল হল কোচবিহারের সিতাই। সেই পরিস্থিতিতে জগদীশ বললেন, "আমি এখন NDA জোটে। এখন তৃণমূল নই আমি। তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর গয়েছে। আমি সিতাইতেই থাকব।" (Jagadish Chandra Barma Basunia)
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বেরনোর পর আর সিতাইয়ে ফেরেননি জগদীশ। কখনও কোচবিহার, কখনও দিল্লিতে, কখনও আবার কলকাতায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। মাঝে ১১ অগাস্ট একবার সিতাইয়ের বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন বটে, কিন্তু বিক্ষোভের জেরে মাত্র দু'-তিন ঘণ্টার মধ্যেই সিতাই ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। ঋতব্রত-তৃণমূলের বিধায়ক সঙ্গীতা রায়কে ঘিরেও বিক্ষোভ হয় সেবার। এর আগে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি কোচবিহারে জয়লাভ করে। সেবারও সিতাই ছাড়া হতে হয় জগদীশকে। ভাঙচুর হয় তাঁর বাড়িতে। (Cooch Behar News)
আরও পড়ুন: ৪১ বছর বয়সে মা হচ্ছেন, সুখবর দিলেন পাকিস্তানি নায়িকা, কাজ করেছেন বলিউডেও
শনিবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন জগদীশ। এর পর রবিবার ভোরবেলা ফের, পুলিশের সহায়তায় সিতাইয়ের বাড়িতে ফিরেছিলেনশ। বাড়ি থেকে সোশ্য়াল মিডিয়ায় একটি ছবিও পোস্ট করেন তিনি। এর পরই উত্তেজনা ছড়াতে শুরু করে। ভিড় জমতে শুরু করে জগদীশের বাড়ির সামনে। বিক্ষোভ শুরু হয়, 'গো ব্যাক' স্লোগান শোনা যায়। সিতাই বাজারে তৃণমূলের যে পার্টি অফিস ছিল, সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চলে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তৃণমূলে থাকাকালীন ওই পার্টি অফিসেই বসতেন জগদীশ। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন স্থানীয়দের উপর অত্যাচার করেছেন জগদীশ। নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে ফেরেননি এলাকায়। NCPI-তে যোগ দিয়ে এখন সুবিধাবাদীর পরিচয় দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: টালিগঞ্জ থেকে ব্রিজি পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা বন্ধ
এদিন ঘটনাস্থলে জগদীশকে নিশানা করে স্লোগান তোলা হয়। 'দূর হটো, দূর হটো', 'জগদীশের চামড়া,তুলে দেব আমরা' স্লোগান শোনা যায় সেখানে। অশোক বর্মন নামের একজন বলেন, "সিতাইবাসীর পক্ষ থেকে বলছি, জগদীশ বাসুনিয়া এত দুর্নীতি করেছে...একবার বামফ্রন্ট, একবার তৃণমূল, একবার NCPI. দলগত ভাবে যার কোনও ঠিক-ঠিকানা নেই, সে এক নম্বরের ক্ষমতালোভী। সিতাই বিধানসভার সাধারণ মানুষের টাকা লুঠ করে ১৫ জ্বালিয়ে খেয়েছে। আবার সিতাইয়ে এসেছে যাতে শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করা যায়।"
এই পরিস্থিতিতে জগদীশ বলেন, "আমি তো তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি নই! আমি NCPI সদস্য। যাঁরা মিছিল করছেন, তাঁরা বোধহয় জানেন না যে, দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী আমাদের তাঁর বাড়িতে প্রাতরাশে ডাকেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ডাকেন এবং পশ্চিমবঙ্গের সম্মানীয় মুখ্যমন্ত্রীও। NCPI-এর সদস্যদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বৈঠক হয় এবং মঙ্গলমিলন হয়। আমরা NDA-র সদস্য। যারা মিছিল করছে, ভাবছে জগদীশ বাসুনিয়া তৃণমূলের লোক। কিন্তু তা নয়। আমি NCPI সদস্য এবং NDA-র সমর্থক। দিল্লিতে এবং রাজ্যে আমরা NDA-র হয়ে কাজ করছি। যা পার্টি অফিসে আগুন দিচ্ছে সেটা তৃণমূলের। আমার সঙ্গে কোনও সংযোগ নেই।"
Before You Go
BJP News: BJP প্রার্থী হতে ড্রপ বক্সে প্রায় সাড়ে চার হাজার নাম, সুযোগ বুঝে ঢুকে পড়ছে তৃণমূলীরাও?























