Nepal Flash Flood Tragedy: খোঁজ নেই ৪ হাজারেরও বেশি মানুষের, পাওয়া যাচ্ছে পচা গন্ধ, নেপালের বিপর্যয়ে কত বাঙালি এখনও নিখোঁজ ?
Nepal Flash Flood: এখনও খোঁজ মেলেনি ৪ হাজারেরও বেশি মানুষের। কোথায় আছেন পশ্চিমবঙ্গের ৩২ জন পর্যটক, মিলছে না কোনও উত্তর।

কলকাতা: ২৬ আগস্ট ২০২৬ এর সকাল, প্রকৃতির রোষে মুহূর্তের মধ্যে বিপর্যস্ত নেপাল। সকালের জল-প্রলয়ে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে নেপালের ৮টি জেলার একাধিক জায়গা। জল-কাদা-পাথরের ঢেউয়ে তছনছ হয়ে গিয়েছে সবকিছু। দোতলা বাড়ির ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে জলের স্রোত। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সব কিছু। নুয়াকোট জেলার বিস্তীর্ণ অংশ মাটির নিচে। অন্য়দিকে, দানব জলোচ্ছ্বাস শেষ করে দিয়েছে রাসুয়ার এই জলবিদ্য়ুৎ কেন্দ্রের প্রায় সিংহভাগ। নেপালে বিপর্যয়ের ১০ দিন পর মৃতের সংখ্য়া বেড়ে প্রায় তেরোশো ছুঁই ছুঁই। এখনও নিখোঁজ হাজার হাজার মানুষ।
এখনও খোঁজ মেলেনি ৪ হাজারেরও বেশি মানুষের। কোথায় আছেন পশ্চিমবঙ্গের ৩২ জন পর্যটক, মিলছে না কোনও উত্তর। এর মধ্য়েই নেপালে বেড়েই চলেছে মৃতের সংখ্য়া। ভয়াল হড়পা বানের পর মৃতের সংখ্য়া এখন প্রায় তেরোশো ছুঁই ছুঁই। বিভিন্ন জেলার নানা অংশে চলছে কাদামাটির স্তূপ সরিয়ে চলছে প্রাণের খোঁজ। মাটির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে এক একটি বাড়ির ২টো ফ্লোর। জলস্তর কমার পর এখন ক্ষতিগ্রস্ত সেই বাড়িগুলি থেকে পাওয়া যাচ্ছে পচা গন্ধ। ত্রিশূলি নদীর পাশে যেখানে এতদিন বসবাস করত বহু পরিবার, সেখানেই এখন যেন শ্মশানের নীরবতা। শুধু বাড়ি-ঘর নয়, দানব জলোচ্ছ্বাস শেষ করে দিয়েছে রাসুয়ার এই জলবিদ্য়ুৎ কেন্দ্রের প্রায় সিংহভাগ।
আরও পড়ুন - মৃত্যু উপত্যকার মাঝে তিনিই ত্রাতা ! নেপালের হড়পা বান থেকে ৯০০ পড়ুয়ার প্রাণ বাঁচালেন শিক্ষক, কীভাবে জানেন ?
উপরের দিকের অংশ ছাড়া বাকি সবটাই যেন ভাসিয়ে নিয়ে গেছে বানের জল। নেপালে হড়পা বানের পর ১০ দিন কেটে গেছে। তারপর থেকে এখনও খোঁজ নেই বাঁকুড়ার ইন্দপুরের মুদুনিয়া গ্রামের অশোক পালের। নেপালের রাসুয়ায় একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন বছর আটত্রিশের অশোক। রাসুয়া জেলার বেশিরভাগটাই ভেসে গেছে হড়পা বানে। ছেলে কোথায়? তাঁর কী হল? সেসব ভেবে দু'চোখের পাতা এক করতে পারছে না বাড়ির লোকেরা। নেপাল প্রশাসন সূত্রে দাবি, বিপর্যয়ের ১০ দিন পরও বিভিন্ন অংশ থেকে উদ্ধার হচ্ছে পচাগলা দেহ। পরিস্থিতি এমন যে কিছুক্ষেত্রে হেলিকপ্টারে করে দেহাংশ উদ্ধার করতে গিয়েও বেগ পেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। নেপালে নিখোঁজ অশোক পালের মা লক্ষ্মীরানি পাল ও বাবা মুক্তারাম পাল জানান, ছেলে নিখোঁজ। কীভাবে দিন কাটছে ঈশ্বর জানেন। একমাত্র ছেলে এখনও নিখোঁজ। দুর্ঘটনার পর থেকে দিশেহারা পরিস্থিতি। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে রক্তের নমুনা দেওয়া হয়েছে।
Before You Go
Chorbagan Durga Puja Stampede | চোরবাগানে সর্বজনীনের মণ্ডপে মৃত্যুমিছিল!























