বন্ধ ঘরেই অগ্নিদগ্ধ বৃদ্ধ দম্পতি, মর্মান্তিক মৃত্যু, ভস্মীভূত গোটা ঘর, চোখের পলকে সব শেষ
বৃহস্পতিবার আচমকাই দোতলার ওই ঘর থেকে গলগল করে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের শিখা গোটা ঘর গ্রাস করে নেয়।

নিমতায় ঘর থেকে উদ্ধার বৃদ্ধ দম্পতির অগ্নিদগ্ধ দেহ। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ননীগোপাল দাস, তৃপ্তি দাসের দেহ উদ্ধার। ভোর পাঁচটা নাগাদ ঘর থেকে আগুনের শিখা দেখে দমকলে খবর। দরজা ভেঙে বৃদ্ধ দম্পতির অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার। শর্ট সার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ড বলে অনুমান পুলিশের।
বৃহস্পতিবার আচমকাই দোতলার ওই ঘর থেকে গলগল করে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের শিখা গোটা ঘর গ্রাস করে নেয়। ঘটনা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন প্রতিবেশীরা। তাঁরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর পাশাপাশি ঘরের ভিতরে আটকে থাকা দম্পতিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় তাঁরা ভিতরে ঢুকতে পারেননি। এরপরই দমকল ও নিমতা থানায় খবর দেওয়া হয়।
ননীগোপালবাবু অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ছিলেন। এক ছেলে সুব্রত দাস রেলে চাকরি করতেন। গত বছর তিনি অবসর নিয়েছেন। পরিবার নিয়ে তিনি নাগপুরে থাকেন। মেয়ে ২০২১-এ ক্যান্সারে মারা গিয়েছেন।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ইঞ্জিন ও পুলিশ। দমকলকর্মীরা দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করেন। দমকলের কর্মীরা ঘরে ঢুকে দেখেন ঘরে দম্পতির খাটটি ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। খাটের অবশিষ্টাংশের মধ্যে কুন্ডলি পাকিয়ে রয়েছে বৃদ্ধার দেহাংশ এবং ঘরের দরজার মুখে উপুড় হয়ে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে বৃদ্ধের দেহ। যা দেখে তাঁদের অনুমান, আগুনের হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা হয়তো বৃদ্ধ করেছিলেন, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।
ততক্ষণে আগুনে ঘরের বড় অংশ পুড়ে গিয়েছে। সেখান থেকেই ননী গোপাল দাস ও তৃপ্তি দাসকে গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় দু’জনকে দ্রুত কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।
Before You Go
Kunal ghosh: হামিদুলের বিরুদ্ধে খুলছে ফাইল? "MLAদের ভয় দেখিয়ে TMC থেকে দূরে রাখা হচ্ছে", বললেন কুণাল






















