Burdwan News: জয়পুরে মৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক ও তাঁর মেয়ে, গুরুতর জখম স্ত্রী
Burdwan News Update: ১০ বছর ধরে জয়পুরে সোনা রুপোর কারিগরের কাজ করতেন প্রভাত বাগদী নামের সেই শ্রমিক। পূর্বস্থলীতে পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারে এই মুহূর্তে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পূর্ব বর্ধমান: রাজস্থানের জয়পুরে মৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের। জয়পুরে পুরনো বাড়ি ভেঙে মৃত ২, আহত ৫। জয়পুরে বাড়ি ভেঙে মৃত পূর্বস্থলী বাসিন্দা ও তাঁর মেয়ের। গুরুতর জখম হয়েছেন সেই শ্রমিকের স্ত্রী। প্রবল বৃষ্টিতে শুক্রবার রাতে সুভাষ চক এলাকায় ভেঙে পড়ে পুরনো বাড়ি। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন অনেকে। বাবা ও তাঁর ৬ বছরের মেয়ের দেহ উদ্ধার হয় এখান থেকেই। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বাংলায় কাজ না পেয়ে জয়পুরে কাজের জন্য গিয়েছিলেন মৃত শ্রমিক ও তাঁর পরিবার। ১০ বছর ধরে জয়পুরে সোনা রুপোর কারিগরের কাজ করতেন প্রভাত বাগদী নামের সেই শ্রমিক। পূর্বস্থলীতে পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারে এই মুহূর্তে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এদিন ঘটনার খবর পেয়ে, মৃতের বাড়ি যান পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়।
মুম্বইয়ে আক্রান্ত হতে হয়েছিল বাংলার পরিযায়ী শ্রমিককে
বাংলার বাইরে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের বারবার সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আক্রান্ত হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিছুদিন আগেই একটি খবর এসেছিল, মুম্বইয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক পরিযায়ী শ্রমিক। ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় বীরভূমের নলহাটির ওই শ্রমিকের ২টি কানই কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন ২৫ বছরের রাহুল সিংহ। ৮ মাস আগে মুম্বইয়ের মালাডে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান নলহাটির যুবক। তাঁর অভিযোগ, ঠিকাদারকে ১০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। বাড়ি আসার সময় সেই টাকা ফেরত চাইতেই তাঁর ওপর ব্লেড নিয়ে হামলা চালান ঠিকাদার ও তাঁর সঙ্গীরা। কেটে নেওয়া হয় ২টি কান। গুরুতর জখম অবস্থায় কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর বাড়ি ফিরে আসেন ওই পরিযায়ী শ্রমিক। নলহাটি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
অভিযোগ, পাওনা টাকা চেয়েছিলেন ঠিকাদারের কাছে। এটাই ছিল তাঁর ‘অপরাধ’। তা নিয়ে গোলমালের জেরে বীরভূমের এক পরিযায়ী শ্রমিকের উপরে ব্লেড দিয়ে হামলা হয়েছে। কেটে নেওয়া হয়েছে ওই যুবকের দু'টি কানই! মুম্বইয়ে যে ঠিকাদারের অধীনে তিনি কাজ করেন, তাঁর দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে রাহুল সিংহ নামে ওই পরিযায়ী শ্রমিকের অভিযোগ। আতঙ্কের স্মৃতি নিয়ে সোমবার নিজের বাড়ি, নলহাটিতে ফিরে এসেছেন বছর পঁচিশের রাহুল। রাহুলের বাড়ি নলহাটির ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। বাড়িতে মা, বাবা ও বোন আছেন। বাবা শারীরিক অক্ষমতার কারণে তেমন কাজ করতে পারেন না। মা পরিচারিকার কাজ করেন। আর্থিক অনটনে সংসারে কিছুটা সুরাহা করতে সাত-আট মাস আগে রাহুল মুম্বইয়ে যান রাজমিস্ত্রির কাজ করতে।






















