আসছে বিরাট বিপদ? সুপার এল-নিনোর প্রভাবে এমন কিছু ঘটবে, যা আগে কখনও হয়নি? বড় সতর্কবার্তা WMO-র
Super El Nino Alert : ২০২৬-এর শেষেই ভয়াবহ গরম, খরা ও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়তে পারে।

সুপার এল নিনো নিয়ে আতঙ্ক চরমে। কি বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার বিপদ বাড়াবে? বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাবে সাইক্লোন, হারিকেন আর টাইফুন? নানা প্রশ্ন ও আশঙ্কার মধ্যেই বড় সতর্কবার্তা জারি করল WMO অর্থাৎ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। সংস্থার সেক্রেটারি জেনারেল সেলেস্তে সাওলো জানিয়েছেন এই এল নিনোর প্রভাব হতে পারে ভয়ঙ্কর। প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা বাড়তে পারে ৩.৮ ডিগ্রি। তাপমাত্রার বৃদ্ধিটা সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে তেমন বড় কিছু মনে না হলেও, সারা বিশ্বের আবহাওয়ায় এর প্রভাব হতে পারে সাঙ্ঘাতিক। অন্তত তেমনটাই বলছে World Meteorological Organization । সংস্থার সাম্প্রতিক আপডেট বলছে, এবার রেকর্ড ভাঙতে পারে এল নিনো ! ২০২৬-এর শেষেই ভয়াবহ গরম, খরা ও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়তে পারে।
বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার স্বাভাবিক ছন্দে বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) জানিয়েছে, বর্তমানে এল নিনোর গতিপ্রকৃতি যেমন, তাতে সারা বিশ্বের আবহাওয়ার ছন্দ ওলটপালট করে দিতে সময় লাগবে না। ২০২৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে। এই উষ্ণতা বাড়ার প্রভাব শুধু সমুদ্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, বৃষ্টিপাতের ধরন, খরা এবং বন্যার ঝুঁকিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে। ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর একটি বিবৃতি দিয়েছে WMO। সেই অনুসারে, বছরের শেষের দিকে এল নিনোর প্রভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। তবে প্রভাব চলবে ২০২৭ পর্যন্ত।
আগামী কয়েক মাসে কৃষি, জলসম্পদ, জনস্বাস্থ্য এবং দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষেত্রে একাধিক দেশকে আগাম প্রস্তুতি নিতে হতে পারে। WMO-র সেক্রেটারি জেনারেল সেলেস্তে সাওলো জানিয়েছেন, নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকার সম্ভাবনা । এই তাপমাত্রার পরিবর্তন বায়ুপ্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে। তার ফলেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ধরনে পরিবর্তন দেখা যাবে। WMO স্পষ্ট করেছে, এই ধরনের মৌসুমি পূর্বাভাস কোনও নির্দিষ্ট দিনে কোথায় বন্যা হবে, কোথায় ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে কিংবা কোন শহরে তাপপ্রবাহ দেখা দেবে, তার সরাসরি ভবিষ্যদ্বাণী নয়। বরং কোন অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গরম, কম বৃষ্টি বা অতিবৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে, তার একটি সামগ্রিক ধারণা দেয় এই পূর্বাভাস। নির্দিষ্ট এলাকার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।























