হিন্দোল দে , রঞ্জিত হালদার , রুমা পাল, ভাঙড় : নামেই ১৪৪ ধারা! মনোনয়ন ঘিরে ফের অগ্নিগর্ভ ভাঙড়। পুলিশি নিরাপত্তায় মোড়া বিডিও অফিসের এক কিলোমিটারের মধ্যে বিজয়গঞ্জ বাজারে মুড়ি-মুড়কির মতো বোমাবাজি চলল। স্থানীয় সূত্রে দাবি, শতাধিক বোমা ও ৭ রাউন্ড গুলি চলে।

অভিযোগ, পুলিশকে লক্ষ্য করে অবিরাম বোমাবাজি ও ইটবৃষ্টি হয়। বোমার মুখে পিছু হঠে পুলিশ। রক্তাক্ত হন কাশীপুর থানার এক এসআই। বোমার স্প্লিন্টারে এক আইএসএফ কর্মী আহত হন বলে দাবি। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। আইএসএফ প্রার্থীদের অভিযোগ, মনোনয়ন আটকাতে তাঁদের লক্ষ্য করে বোমাবাজি শুরু করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির দাবি, বোমাবাজির খবর দিতে আসায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। বোমা বাঁধার সময় আটক, দাবি পুলিশের। ভাঙড়ের বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকির দাবি, তাঁদের প্রার্থীদের মনোনয়ন আটকাতেই তৃণমূল হামলা চালায়। ভাঙড়ের ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন। 

আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়ন আটকাতেই তৃণমূলের বোমাবাজি, অভিযোগ বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকির। ভাঙড়ের ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন।

এদিকে এখান থেকেই মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নব জোয়ার যাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এদিন আক্রমণের মুখে বারবার পিছু হঠতে হয় পুলিশকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় উর্দিধারীদের। কিন্তু কারা হামলা চালাল?  ISF-এর অভিযোগ, তাঁদের মনোনয়ন আটকাতেই এই তাণ্ডব চালিয়েছে তৃণমূল। 

আইএসএফ এর বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি বলেন, 'এঁদের  লক্ষ্য একটাই যাতে নমিনেশন জমা দিতে না পারে। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল প্রচুর লোক জোগাড় করেছে। গুলি, বম্ব চলছে।'  

মনোনয়ন পর্বের শুরু থেকেই, উত্তপ্ত ভাঙড়। সোমবার, আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায়, ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসের মধ্য়েই লুকিয়ে ছিলেন, আইএসএফ প্রার্থী আসমা খাতুন। শেষে বিডিও অফিসের পিছনের গেটের তালা ভেঙে আসমা-সহ কয়েকজন আইএসএফ প্রার্থীকে বের করে পুলিশ।                                                       

 

আরও পড়ুন, নতুন বাড়ি তৈরির সময় এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন, অন্যথা হতে পারে ক্ষতি !