Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক 'খুনে' প্রতিবাদ, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দল ছাড়লেন রাজ্যের এই হেভিওয়েট নেতা !
Sujoy Chakraborty Left TMC On Suvendu PA Murder: তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে ছাড়লেন দল, কী বললেন এবার এই বর্ষীয়ান নেতা ?

সুনীত হালদার, হাওড়া: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক খুনের ঘটনায় তৃণমূল ছাড়লেন হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান ডঃ সুজয় চক্রবর্তী। দলের বিরুদ্ধে উগড়ে দিলেন ক্ষোভ।
আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথের আগেই বড় হুঙ্কার শুভেন্দুর, খুলবে সব 'দুর্নীতির' ফাইল
প্রায় চার বছর হাওড়া পুরসভার দায়িত্ব সামলানোর পর গত বছর অক্টোবর মাসে ছেড়েছেন প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যানের পদ। আর এবার ছাড়লেন তৃণমূল দল। আজ সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালেন ডঃ সুজয় চক্রবর্তী। এদিন তিনি বলেন, তৃণমূলে যোগ দেবার পর হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান হন। সাড়ে চার বছর তিনি দায়িত্বে ছিলেন।
তার অভিযোগ প্রথম দিকে ঠিকমতো কাজ হলেও পরে ঠিকমতো পরিষেবা দেওয়া যায়নি। কারণ ফান্ডের অভাব দেখা দেয়। পুরও নগরায়ন দপ্তরের মন্ত্রী এবং হাওড়া জেলার দুই মন্ত্রীকে বারবার জানানো সত্বেও পুরসভার জন্য কোন টাকা পাওয়া যায়নি। ফলে পুর পরিষেবা ঠিকমতো দেওয়া যায়নি। এমনকি কর্মীদের বেতন, ঠিকাদারদের পাওনা টাকা দিতেও সমস্যা হয়। তৎকালীন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ববি হাকিম আশ্বাস দিলেও সেটা ছিল মৌখিক আশ্বাস।
সুজয় চক্রবর্তী বলেন, মনে হতো ভিক্ষা চাইতে গেছেন। এই সময় দল থেকেও কোনরকম সহযোগিতা পাননি। দলের চূড়ান্ত অসহযোগিতা কারনে তিনি চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। আগেই দল ছাড়তেন। কিন্তু নির্বাচনের সময় দলকে বিপাকে ফেলতে চাননি। তিনি আরও বলেন হাওড়া পুরসভায় আগেই ভোট হওয়া উচিত ছিল। তাহলে হাওড়া শহর এলাকায় এবারের নির্বাচনে ভরাডুবি হতো না। গণতন্ত্রে নির্বাচন দরকার।'
এদিন তিনি আরও বলেন, যেভাবে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহায়ককে খুন করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তাই আজ তিনি তৃণমূলের সাথে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করলেন। উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হয়। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় বাইকে করে এসে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গাড়িতে চন্দ্রনাথ ছাড়াও আরও একজন যুবক ছিলেন। নাম বুদ্ধদেব বেরা। তাঁদের দু'জনকেই উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই চন্দ্রনাথকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরেক যুবক। তারপর থেকেই তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। চন্দ্রনাথের হত্যা 'রাজনৈতিক খুন' বলেই মনে করছে গেরুয়া শিবির।




















