Winter Foods: শীতের মরশুমে (Winter Season) নানা ধরনের রোগ দেখা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হল ঠান্ডা লাগা এবং তার থেকে সর্দি, কাশি, হাঁচি, গলা ব্যথা ইত্যাদি। মরশুম পরিবর্তনের এই সময় অনেকেরই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immuity Booster Foods) কমে যায়। আর দুর্বল থাকার কারণে চট করে সংক্রমণ (Infections) হয়ে যেতে পারে। এই সময়ে খাওয়া-দাওয়ার দিকে বিশেষ করে নজর দেওয়া প্রয়োজন। বাড়ির ছোটদের ক্ষেত্রে একটু বেশিই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। যাঁদের বাড়িতে ছোট বাচ্চা রয়েছে তাঁরা কী কী খাবার খেতে দেবেন ওদের সেই প্রসঙ্গেই দেওয়া হল কিছু সহজ টিপস। মূলত শীতের দিনে সহজে হজম হয় এই জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। আর গরম খাবার খেতে হবে। তাহলে খাবারের স্বাদও ভাল লাগবে এবং খেলে তৃপ্তিও পাবেন আপনি। 


স্যুপ- শীতের দিনে স্যুপ খেতে বেশ ভালই লাগে। আর শীতকালে বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজিও পাওয়া যায়। বাড়িতেই বিভিন্ন সবজি দিয়ে ছোটদের জন্য তৈরি করে দিন স্যুপ। এর মধ্যে অল্প মাখন আর গোলমরিচের গুঁড়ো যোগ করলে স্যুপ খেতেও সুস্বাদু হয়। যদি বাচ্চাদের ঠান্ডা লেগে থাকে তাহলে গরম গরম স্যুপ খেলে গলাতেও আরাম লাগবে। মুখেও রুচি ফিরবে। আপনার বাড়ির বাচ্চা যদি আমিষের ভক্ত হয় তাহলে স্যুপের মধ্যে দিতে পারেন মুরগির মাংস। শুধু বাচ্চা নয়, বড়দের ক্ষেত্রেও স্যুপ খেলে শরীর গরম থাকবে শীতের দিনে। টোম্যাটো স্যুপ কিংবা চিকেন স্যুপ বাড়িতে তৈরিও করা যায় সহজেই। তাই শীতের দিনে মেনুতে রাখতে পারেন স্যুপ। আর এই জাতীয় খাবার সহজে হজমও করা যায়। 


খিচুড়ি- শীতের নানা ধরনের সবজি দিয়ে কম সময়ে বাড়িতে তৈরি করে নেওয়া যাক খিচুড়ি। যাঁরা কাজের সূত্রে বা বিভিন্ন কারণে রোজ বাড়ির বাইরে বেরোন, তাঁরা এই খাবার টিফিন হিসেবেও নিয়ে যেতে পারেন। মুসুর ডাল দিয়ে খিচুড়ি তৈরি করলে তা বেশ সহজপাচ্য হয়। এর মধ্যে দিতে পারে ফুলকপি, মটরশুঁটি, গাজর- শীতের বিভিন্ন সবজি। মুগ ডালের সঙ্গে ঘি মিশিয়েও তৈরি করা যায় খিচুড়ি। বিশেষ করে যদি আপনি অসুস্থ থাকেন, জ্বর বা ঠান্ডা লেগে থাকার সমস্যা হয়, তাহলে সেই সময় মুখে রুচি থাকে না। কিছুই খেতে ভাল লাগে না। তবে এই অবস্থায় খিচুড়ি খেতে পারবেন আপনি। আপনার শরীরে কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি পূরণে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সুদৃঢ় করতে খিচুড়ির জুড়ি মেলা ভার। আর আপনার শরীর ভিতর থেকে গরম রাখতেও শীতের দিনে কাজে লাগে এই খাবার। 


ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন। 


আরও পড়ুন- ভিটামিন ডি- এর ঘাটতি হলে শরীরে কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে? এই ঘাটতি মেটাতে প্রতিদিনের জীবনে কী কী পরিবর্তন আনা প্রয়োজন?