Turmeric Milk Health Benefits: গরম দুধের মধ্যে হলুদ মিশিয়ে খেলে যে অনেক উপকার পাওয়া যায়, তা প্রায় সকলেরই জানা। তবে যদি রাতে ঘুমের আগে গরম দুধে এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া যায় তাহলে কয়কটি বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। আমাদের শরীর-স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যার সমাধান লুকিয়ে রয়েছে এই পানীয়ের মধ্যেই। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, রাতে ঘুমানোর আগে গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেলে কী কী উপকার পাবেন আপনি। 

ঘুমের সমস্যা কমায় এই পানীয় 

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধের মধ্যে হলুদ মিশিয়ে কয়েকদিন খেয়ে দেখুন। এই পানীয় আপনার রাতের ঘুমের সমস্যা দূর করবে। গাঢ় ঘুম হবে আপনার। রাতে ঘুমের মাঝে বারংবার ঘুম ভেঙে অসুবিধা হবে। আর রাতে ভালভাবে ঘুমোতে পারলে পরের দিন কাজে এনার্জি পাবেন আপনি। সারাদিন চাঙ্গা থাকবেন। এমনকি রাতে ভালভাবে ঘুম হলে তবেই আমাদের শরীরে সঠিক মাত্রায় ডিটক্সিফিকেশন সম্ভব হয়। যার ফলে ভিতর থেকে পরিশ্রুত হবে শরীর এবং সার্বিকভাবে সুস্থ থাকবেন আপনি। 

তবে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স থাকলে, অর্থাৎ দুধ সহ্য না হলে কিন্তু এই পানীয় থেকে দূরে থাকাই স্বাস্থ্যের পক্ষে শ্রেয়। নাহল দুধ খাওয়ার কারণে পেটে ব্যথা, বদহজম, অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। আর একটা বিষয় খেয়াল রাখা উচিৎ। রাতে ঘুমানোর অন্তত ঘন্টা তিনেক আগে ডিনার সেরে নিতে হবে। তারপর সামান্য হাঁটাচলা করুন ঘুমানো পর্যন্ত। বিছানায় শুতে যাওয়ার ৩০ থেকে ৪০ মিনিট আগে অল্প পরিমাণে গরম দুধের মধ্যে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে তা দূর হবে। রাতে যা খাবেন সেটা ভালভাবে হজম হয়ে যাবে। ফলে অ্যাসিডিটি, গ্যাস- এইসব সমস্যা দেখা যাবে না। 

সাধারণ ভাবে হলুদ খাওয়া কেন শরীরের পক্ষে ভাল 

  • কাঁচা হলুদ খেলে ইমিউনিটি বাড়ে। ফলে সহজে রোগ হয় না। আপনি অল্পেই অসুস্থ হয়ে কাহিল হবেন না। 
  • চোট-আঘাত থাকলে তা দ্রুত সারতে, ক্ষতস্থান তাড়াতাড়ি শুকোতে সাহায্য করে হলুদের প্রলেপ। 
  • হলুদ খেলে শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা কমে, কারণ এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপকরণ। 
  • অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপকরণ হিসেবে হলুদের জুড়ি মেলা ভার। অসুখ-রোগ থেকে আমাদের দূরে রাখে কাঁচা হলুদ। 
  • ত্বকের জন্যেও হলুদ দারুণ উপকারী উপকরণ। জেল্লা বাড়ায় ত্বকের। কমায় ব্রনর সমস্যা। দূর করে দাগছোপ। 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।