তৃণমূলে ফিরতে চাওয়া ইচ্ছুকদের আবেদন খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মমতার

কলকাতা: যাঁরা তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন, তাঁদের আবেদন খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গড়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে একদিকে শুদ্ধকরণের বার্তা, আরেকদিকে বেনোজল যাতে না ঢোকে সে দিকে নজর। ২০১৬’র বিধানসভা ভোটের সময় কেউ কেউ তৃণমূল ছেড়ে অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। তৃণমূলও নানা ইস্যুতে কারও কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল। এদের অনেকেই এখন তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে দাবি। কিন্তু, বেনোজল যাতে না ঢোকে, সে দিকে নজর রেখে, আবেদন খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গড়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাঁচ সদস্যের এই কমিটিতে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বিধানসভা ভোটে পরাজিত দুই হেভিওয়েটকেও নতুনভাবে ফিরিয়ে আনতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী। মিঠুন চক্রবর্তী ইস্তফা দেওয়ায় ১৭ মার্চে রাজ্যসভার আসনে ভোট। সেখানে এবার তৃণমূল প্রার্থী প্রাক্তন বিদ্যুৎমন্ত্রী মণীশ গুপ্ত। যাদবপুরে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি দক্ষিণ আসনেও সামনেই উপনির্বাচন। কারণ, এখানকার তৃণমূল বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। কাঁথি দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে প্রাক্তন আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। দমদম উত্তর থেকে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরুদুয়ার জেলার সভাপতি পদে থাকা সৌরভ চক্রবর্তীর দায়িত্ব কমিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোহন শর্মাকে করা হয়েছে আলিপুরদুয়ারের সভাপতি। জলপাইগুড়ি থাকছে সৌরভের হাতে। সূত্রের খবর, এই সিদ্ধান্ত শোনার পর সৌরভ চক্রবর্তী মৃদু স্বরে বলেন, আমি তো আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক দিদি। তখন মমতা বলেন তাতে কী এসে যায়।






















