CJP Protest : মুম্বই থেকে দিল্লি, বাড়ছে CJP-র আন্দোলনের আঁচ, তারই মধ্যে এই পোস্ট অভিজিৎ দীপকের
জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ফের দিল্লি চলোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দিল্লির দিকে মার্চের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিজেপি।

কলকাতা : শনিবার বিরোধীদের গণতন্ত্র বাঁচাও আন্দোলনের দ্বিতীয় দিন। গতকাল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয় যন্তর মন্তর। আন্দোলন ঠেকাতে শুক্রবার ৭০০-র বেশি বিরোধী নেতা-কর্মীদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ফের দিল্লি চলোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দিল্লির দিকে মার্চের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিজেপি।
আগামী ১০ অক্টোবর তারিখে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার মুম্বইতে বিক্ষোভ কর্মসূচির সূচনা করে ককরোচ জনতা পার্টি। সেখানে জড়ো হয় হাজার হাজার মানুষ। ককরোচ-দের নৈতিক সমর্থন জানাতে আসেন বিনোদন জগতের বিশিষ্টরাও। দীপকের সঙ্গে দেখা করেন অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। আন্দোলনে যোগ দেন অভিনেত্রী শাবানা আজমিও।
শুক্রবার, মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্য়াগের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে যন্তরমন্তর। বাম-কংগ্রেস থেকে আম-আদমি পার্টি, প্রতিবাদে পথে নামে একাধিক বিরোধী দল। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কোথাও পুলিশের ধস্তাধস্তি বাধে। কোথাও টেনে হিঁচড়ে তাদের তোলা হয় বাসে ! জ্ঞানেশ কুমারের পদত্য়াগের দাবিতে, কলকাতাতেও রানি রাসমনি রোড থেকে গান্ধীমূর্তি পর্যন্ত মিছিল করে বামেরা । এরই মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট করেছেন ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি লেখেন, ' মহাত্মা গান্ধীর দেখানো পথে আমাদের আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ । যেখানে দিল্লি পুলিশ আটকাবে, সেটাই হবে আমাদের যন্তর মন্তর। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে দেওয়া হবে, না ২০ জুলাইয়ের মতো বর্বরতা হবে, তা ঠিক করবে সরকার ও দিল্লি পুলিশ' । সেই সঙ্গে তাঁর আর্জি , এটা গণতন্ত্র বাঁচানোর আন্দোলন, যাঁরা অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন চান, তাঁরা যোগদান করুন।
দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন ঘিরে তোলপাড় পড়ে গেছে গোটা দেশে। মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরাল হয়েছে। তারফলে মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও উঠছে দেশের নানা প্রান্তে। যে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের জেরে বাধ্য় হয়ে নরেন্দ্র মোদি তাঁর শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরাতে বাধ্য় হয়েছিলেন, ফের তারা আন্দোলনে নেমেছে! নিশানায় জ্ঞানেশ কুমার! নিশানায় মোদি সরকার। ৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে 'গণতন্ত্র বাঁচাও আন্দোলন' চলবে বলে ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি।























