Hurricane Simon : ভয়ঙ্কর শক্তি নিয়ে এগোচ্ছে ঝড়, নিশানায় একাধিক পর্যটনকেন্দ্র, মৎস্যজীবীদের জন্য কালোপতাকা
আবহবিদদের আশঙ্কা, সাইমনের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে উপকূলজুড়ে। মানজানিলো এলাকায় মৎস্যজীবীরা সমুদ্রসৈকত থেকে নৌকা সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন।

এল নিনোর প্রভাবে একের পর এক ঝড় আসছে। কয়েকদিনের মধ্যেই ভয়ঙ্কর হতে পারে পরিস্থিতি। একের পর এক শক্তিশালী ঝড় তৈরি হচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর। আবহাওয়ার আপডেট বলছে, মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে আবারও এক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় , নাম সাইমন। অল্প সময়ের মধ্যে ঝড়টির শক্তি বাড়াচ্ছে দ্রুত।
মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের (NHC) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ঝড়টির সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৭৭ কিলোমিটার ।এই ঝড়ের গতিপ্রকৃতি বিবেচনা করে মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার এটিকে ক্যাটাগরি ৩ হারিকেন বলে চিহ্নিত করেছে। হারিকেন সাইমন শনিবারের মধ্যে আরও শক্তিশালী হয়ে ক্যাটাগরি ৪ হারিকেনে পরিণত হতে পারে। এরপর ঝড়ের নিশানা মেক্সিকোর দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম-মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল। ওই অঞ্চলে রয়েছে একাধিক জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত, পর্যটনকেন্দ্র ও মৎস্যজীবীদের বসতি। আবহবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার মেক্সিকোর মানজানিলো বন্দর ও পুয়ের্তো ভালার্তা পর্যটন শহরের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে সাইমন।
আবহবিদদের আশঙ্কা, সাইমনের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে উপকূলজুড়ে। মিচোয়াকান, কোলিমা, হালিস্কো এবং নায়ারিত প্রদেশের কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে প্রায় ৩০ ইঞ্চি বা ৭৬২ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহবিদদের আশঙ্কা, এর ফলে আকস্মিক বন্যা, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে। এ ছাড়া গুয়েরেরো, মিচোয়াকান, কোলিমা ও হালিস্কো-সহ একাধিক প্রদেশে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
ঝড়ের মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে মেক্সিকো প্রশাসন। মানজানিলো এলাকায় মৎস্যজীবীরা সমুদ্রসৈকত থেকে নৌকা সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন। উপকূলের বিভিন্ন জায়গায় কালো পতাকা লাগিয়ে সৈকত বন্ধ থাকার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
সাইমন শেষ পর্যন্ত কতটা শক্তিশালী হয়ে উপকূলে আছড়ে পড়বে, তা নির্ভর করছে আগামী কয়েক ঘণ্টার আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর। তবে কতটা শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়বে এই হারিকেন, কতটা বৃষ্টি হবে, এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। প্রবল বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে সতর্কতা ও জরুরি প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার, WMO-র সেপ্টেম্বরের আপডেট বলছে, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনো প্রভাব চলবে। আগামী কয়েক মাসে এল নিনোর প্রভাব আরও জোরদার হতে পারে । এই বছরের শেষের দিকে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। তবে এই হারিকেনের দ্রুত শক্তিবৃদ্ধির পেছনে এল নিনোই একমাত্র কারণ কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ঝড়ের গতিপথ, সমুদ্রের তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলের পরিস্থিতি,সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Before You Go
Navaratri | বেহালার চণ্ডীতলার চণ্ডীমন্দিরে নবরাত্রি উপলক্ষে ডান্ডিয়া ডান্স | #abpananda























