Digital Arrest : হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও কলে 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট', প্রবীণের কোটির বেশি টাকা 'হাতিয়ে' গ্রেফতার IIT-র স্নাতক-ব্যাঙ্ক ম্যানেজার
Crime News : ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করল মুম্বই সাইবার পুলিশ।

'ডিজিটাল অ্যারেস্টের' নামে ৬৮ বছরের এক প্রবীণ ব্যক্তির কাছ থেকে ১.১২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করল মুম্বই সাইবার পুলিশ। কিন্তু, সবথেকে তাজ্জব বিষয় হল, ধৃতদের মধ্যে আইআইটির স্নাতক এবং এক ব্যাঙ্ক ম্যানেজারও আছেন। এমনই জানিয়েছেন এক আধিকারিক। ধৃতদের নাম- তারিক মোমিন, রাকেশ জৈন, চিন্তন দেশাই, শঙ্কর ত্যাগী, জি গোহেল এবং অজয় শর্মা।
গোহেল আইআইটি দিল্লি থেকে বিই ডিগ্রিধারী একজন ওয়েব ডেভেলপার এবং এর আগে ২০২১ সালের একটি প্রতারণার মামলায় অভিযুক্ত ছিল। অন্যদিকে ত্যাগী একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অপারেশনস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছে বলে ওই আধিকারিক জানান।
তিনি বলেন, "ভুক্তভোগী ব্যক্তি দহিসরের একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী। জুলাই ও অগাস্ট মাসের মধ্যবর্তী সময়ে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তাঁকে নিজের বাড়িতে 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট'-এর আওতায় আটকে রাখা হয়েছিল। প্রতারকরা প্রথমে টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের (DoT) কর্মকর্তা সেজে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং অভিযোগ তোলে যে, দিল্লিতে দায়ের হওয়া অর্থ তছরুপের একটি মামলায় তাঁর আধার সংক্রান্ত তথ্যের অপব্যবহার করা হয়েছে। এরপর, 'বিজয় খান্না' নামে এক ব্যক্তি পুলিশের ইউনিফর্ম পরে এবং সুপ্রিম কোর্টের নাম ও সরকারি লোগো-সহ ভুয়া নথিপত্র দেখিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও কলের মাধ্যমে তাঁকে 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট'-এর আওতায় নিয়ে আসে। পারিবারিক গ্রেফতারির ভয় দেখিয়ে, প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর নিজের অবস্থান জানাতে বাধ্য করা হয় তাঁকে। এরপর ওই ব্যক্তি তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটগুলি ভাঙিয়ে নেন এবং চক্রটির নিয়ন্ত্রণে থাকা একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১.১২ কোটি টাকা ট্রান্সফার করেন। ওই ব্যক্তির মেয়ে এই জালিয়াতির বিষয়টি জানতে পেরে সাইবার পুলিশের কাছে যান। তখনই অপরাধটি প্রকাশ্যে আসে। নর্থ সাইবার পুলিশের তদন্তে অর্থ লেনদেনের সূত্র ধরে একটি স্বর্ণ ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া যায়। মোমিন ছদ্মবেশী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি পরিচালনা করত, আর প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রাকেশ জৈনের রেজিস্টার্ড সিম কার্ডটি ওটিপি পরিচালনার জন্য ত্যাগী ও গোহেলের মাধ্যমে পাঠানো হত। অভিযুক্ত চিন্তন দেশাই লিঙ্কড ডিভাইস নিয়ে উত্তরপ্রদেশের বিজনোরে যায়, যেখানে চুরি করা অর্থ তুলে অন্যত্র পাচার করা হয়।" ডিসিপি বজরং বানসোদের তত্ত্বাবধানে সিনিয়র ইন্সপেক্টর প্রমোদ কাম্বলে এবং ইন্সপেক্টর সুনীল লোখাণ্ডে সিন্ডিকেটটির আর্থিক লেনদেন ও অন্যান্য কার্যক্রমের বিষয়ে আরও তদন্ত করছেন বলে তিনি জানান।
Before You Go
Hamidul Rahman News | 'গুন্ডা, মাফিয়া, বিধায়কের বিরুদ্ধে কেস রিওপেন করবেন', হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর






















