US-India War: হরমুজে আমেরিকার সাবমেরিন বাজেয়াপ্ত করল ইরান? সরাসরি ভিডিও দেখাল, নতুন করে ফের আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ
Iran Captures US Submarine: আমেরিকার একটি স্বয়ংক্রিয়, ‘অত্যাধুনিক’ এবং ‘স্মার্ট’ সাবমেরিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে IRGC.

নয়াদিল্লি: ফের পারদ চড়ছে পশ্চিম এশিয়ায়। ইরানের তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। পাল্টা জর্ডানে আমেরিকার ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরানও। সেই নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে এবার আমেরিকার একটি সাবমেরিন বাজেয়াপ্ত করল ইরান। বাজেয়াপ্ত সাবমেরিনের ছবিও প্রকাশ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)। (Iran Captures US Submarine)
আমেরিকার একটি স্বয়ংক্রিয়, ‘অত্যাধুনিক’ এবং ‘স্মার্ট’ সাবমেরিন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে IRGC. হরমুজ প্রণালীর প্রবেশ পথে, জলের নীচ থেকে সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। IRGC-র মুখপত্র Sepah News জানিয়েছে, রুদ্ধশ্বাস অভিযানে Dive-LD নামের ওই সাবমেরিনটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। (US-India War)
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি ওই সাবমেরিনটির ছবি এবং ভিডিও-ও প্রকাশ করা হয়েছে। সেটি একটি সাবমার্সিবল, অর্থাৎ বড় জাহাজ বা প্ল্যাটফর্মের সাপোর্ট লাগে। IRGC-র দাবি, হরমুজের উপর আমেরিকার MQ-9 Reaper ড্রোনও গুলি করে নামিয়েছে তারা।
IRGC has released footage showing the fully intact and highly advanced Dive-LD unmanned submarine it seized in the Strait of Hormuz.
— Current Report (@Currentreport1) September 8, 2026
US sent multiple MQ-1 drones, allegedly armed with guided missiles to locate and destroy the submarine but Iranian air defenses shot them down.… pic.twitter.com/Q91fIgRLdL
IRGC-র বিবৃতি সামনে আসার পর আমেরিকার সেনার তরফে জানানো হয়েছে, কয়েকদিন আগে জলের নীচে তাদের একটি সাবমেরিন বিকল হয়ে যায়। তবে তাতে স্পর্শকাতর কোনও তথ্য় বা রেডার ইক্যুইপমেন্ট ছিল না। IRGC-র বায়জেয়াপ্ত করা সাবমেরিনটিই সেটি কি না, তা যদিও পরিষ্কার ভাবে খোলসা করেনি তারা।
হরমুজে ড্রোন এবং সাবমেরিনের উপর আমেরিকা জোর দিচ্ছে বলে আগেই জানা গিয়েছিল। নজরদারি চালানো থেকে তথ্য সংগ্রহ, প্রাণের ঝুঁকি না নিয়ে শত্রুপক্ষের জাহাজের গতিবিধি বুঝতে প্রযুক্তিকেই ভরসা করছে তারা।
আমেরিকার সামরিক প্রযুক্তি সংস্থা Anduril জানিয়েছে, Dive-LD একটানা ১০ দিন পর্যন্ত জলের নীচে কাজ চালিয়ে যেতে পারে। জলের ১৯৭০০ ফুট গভীরে গিয়ে কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে ওই সাবমেরিনের। এক একটি সাবমেরিনের দাম ২.৫ মিলিয়ন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২৪ কোটি টাকা।























