Iran US War: ইরানের বিশাল তেলের ভাণ্ডারে US- এর হামলা, পাল্টা আক্রমণ UAE- র গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে
IRA Israel US War: ইরানের খার্গ দ্বীপের তৈল ভাণ্ডারে আগেই হামলা চালিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বদলা নিতে পাল্টা সংযুক্ত আরব আমিরশাহির গুরুত্বপূর্ণ তৈলক্ষেত্রে ব্যাপক আঘাত হেনেছে ইরান।

Iran US War: ইরান এবং ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ চলছে ২ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে। পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি আঁচ ক্রমশ বাড়ছে। যুদ্ধের ১৫তম দিনেও অব্যাহত আক্রমণ, প্রতি-আক্রমণ। শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রে বড়সড় হামলা করেছে ইরান। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গিয়েছে ওই অঞ্চলে। সেই ছবি-ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। আর তা দেখে অনুমান হামলা বেশ বড় স্তরেই হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইরানের খার্গ দ্বীপের তৈল ভাণ্ডারে আগেই হামলা চালিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বদলা নিতে পাল্টা সংযুক্ত আরব আমিরশাহির গুরুত্বপূর্ণ তৈলক্ষেত্রে ব্যাপক আঘাত হেনেছে ইরান। শুধু তাই নয়, সংযুক্ত আরব আমরশাহির বন্দর এলাকায় বসবসকারীদের সেই স্থান অবিলম্বে ছেড়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে ইরানের তরফে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এইসব বন্দর এলাকাতেও আক্রমণের পরিকল্পনা রয়েছে ইরানের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই ফুঁসছে। ইজরায়েল এবং আমেরিকার যাবতীয় হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। সেই তালিকাতেই নবতম সংযোজন সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেলের খনিতে হামলা। এর আগেও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একাধিক জায়গায় আক্রমণ করেছে ইরান।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির একটি উপকূলীয় শহর ফুজাইরাহ- র একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে হামলা হয়েছে। কারণ সেখান থেকেই কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখা গিয়েছে। এই হামলা কয়েক ঘণ্টা আগেই আমেরিকা হামলা করেছিল ইরানের খার্গ দ্বীপারে তৈল ভাণ্ডারে। ফুজাইরাহ- তে যে বন্দরটি রয়েছে, যেখানে ইরান হামলা করেছে বলে অনুমান, সেটি যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ বন্দর। কারণ ওই এলাকার তেল আমদানি-রপ্তানির কাজে অর্থাৎ তেল সংক্রান্ত ব্যবসার কাছে এই বন্দরই ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ড্রোনের সাহায্যে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে। ওই ড্রোন ভেঙে পড়েছিল বন্দরে। তার ভাঙা অংশ থেকেই সম্ভবত আগুন লেগে যায় ফুজাইরাহ শহরের বন্দরটিতে। যদিও এই তথ্য এখনও নিশ্চিত নয় যে ফুজাইরাজ শহরের ওই বন্দরটিতেই হামলা হয়েছিল কিনা বা আগুন লেগেছিল কিনা। তবে সমাজ মাধ্যমে যেসব ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে তার থেকে এমনটাই অনুমান করা হচ্ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইরানের ছোড়া ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন, সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গেই মোকাবিলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।























