Madhya Pradesh News: মোটরসাইকেলে বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে ৩-৪ কিলোমিটার টেনে নিয়ে যাওয়া হল প্রৌঢ়কে ! কিন্তু কেন ?
Madhya Pradesh News: অভিযোগ, মাফলার দিয়ে হাত বেঁধে দেওয়া হয় প্রজাপতি লক্ষ্মণের। তারপর তাঁকে বাঁধা হয় একটি মোটরসাইকেলে। এরপর ওই অবস্থাতেই প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয় প্রৌঢ়কে।

Madhya Pradesh News: মেলা দেখে সাইকেল চালিয়ে ফিরছিলেন ৬০ বছরের প্রৌঢ়। পথ আটকে দাঁড়ায় কয়েকজন যুবক। থামতে বলে প্রৌঢ়কে। রাজি হননি ওই ব্যক্তি। সাইকেল নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন। একদল যুবকের কথা শুনে না থেমে এগিয়ে যাওয়াই যে তাঁর জীবনে কাল হয়ে নেমে আসবে, তা বোধহয় ঘুণাক্ষরেও টের পাননি ওই প্রৌঢ়। ওই ব্যক্তি সাইকেল চালিয়ে এগিয়ে যাওয়ায় তাঁর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা শুনে শিউরে উঠেছেন সকলে।
প্রৌঢ়ের নাম লক্ষ্মণ প্রিজাপতি। রেওয়া জেলার বাসিন্দা তিনি। সিমারিয়া-র মেলা দেখে ফিরছিলেন তিনি। রাস্তাতেই একদল যুবকের সঙ্গে দেখা হয় তাঁর। মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল তাঁরা। প্রৌঢ়কে দেখেই পথ আটকায় তাঁরা। দাঁড়াতে বলেন প্রৌঢ়কে। কিন্তু যুবকদের কথায় পাত্তা না দিয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আর তাতেই সাংঘাতিক কাণ্ড ঘটিয়েছে ওই যুবকের দল। ওই প্রৌঢ় তাঁদের কথা না শুনে এগিয়ে গিয়েছেন, তাতেই নাকি অপমান হয়েছে তাঁদের, গর্ব ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সেই রাগেই প্রতিশোধ নিতে প্রৌঢ়কে উচিত শিক্ষা দিয়েছে যুবকের দল।
কী হয়েছে ওই প্রৌঢ়র সঙ্গে
যুবকের দল প্রৌঢ়কে মোটসাইকেলের সঙ্গে বেঁধে রাস্তা দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়েছে। আক্রান্ত প্রজাপতি লক্ষ্মণের পুত্রবধূ সোনু প্রজাপতি জানিয়েছেন, গোটা ঘটনাই ঘটানো হয়েছে সাংঘাতিক নৃশংসতার সঙ্গে। বিনা প্ররোচনায় তাঁর শ্বশুরমশাইকে আক্রমণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে আক্রান্তের তরফে। সেখানে বলা হয়েছে, বয়স্ক মানুষ যুবকদের কথা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। তাই তাড়া করে প্রৌঢ়কে ধরে ফেলে যুবকের দল। অভিযোগ, মাফলার দিয়ে হাত বেঁধে দেওয়া হয় প্রজাপতি লক্ষ্মণের। তারপর তাঁকে বাঁধা হয় একটি মোটরসাইকেলে। এরপর ওই অবস্থাতেই প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার বাইকের সঙ্গে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয় প্রৌঢ়কে। গুরুতর ভাবে আহত হন ওই ব্যক্তি। রাস্তার উপর দিয়ে অতটা টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকটি ক্ষত যথেষ্টই গভীর।
গ্রামবাসীদের নজরে আসে এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য। দ্রুত পুলিশে খবর দেন তাঁরা। খবর পেয়েই ছুটে আসে পুলিশবাহিনী। ততক্ষণে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ওই এলাকায়। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। দাবি জানান, এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। পরে পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়। রেওয়া জেলার সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় আহত লক্ষ্মণ প্রজাপতিকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা সংকটজনক। তাঁর চোট-আঘাতও যথেষ্ট গুরুতর। রাস্তা দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার কারণে হাতের চামড়া কেটে-ছড়ে গিয়ে, হাড় বেরিয়ে পড়েছে। সারা শরীরে রয়েছে প্রচুর চোট, আঘাত। মৃত্যুর সঙ্গে কার্যত পাঞ্জা লড়ছেন এই প্রৌঢ়।
পুলিশ সূত্রে খবর, তিন যুবক এর সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে চিহ্নিত করেছেন আক্রান্ত। বাকিদের শনাক্তকরণ বাকি রয়েছে। সকলকেই গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের সবাইকে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। মোটরসাইক
























