এক্সপ্লোর
ইজরায়েলের সহযোহিতায় নতুন ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম ভারতীয় সেনার হাতে ২০২০-এ

ফাইল ছবি
নয়াদিল্লি: বেশ কয়েক বছরের অপেক্ষার পর অবশেষে ২০২০ নাগাদ অ্যাডভান্সড মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল (এমআরএসএএম) সিস্টেম পাচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ইজরায়েলের এয়ারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ-এর সহযোগিতায় এই ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম তৈরি করবে প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। এজন্য ইজরায়েলি সংস্থার সঙ্গে তাদের ১৭ হাজার কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুসারে এ ধরনের প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি হবে। পরিচয় গোপন রাখা এক সেনাকর্তা জানান, ৭০ কিমি দূরত্ব পর্যন্ত শত্রুপক্ষের যে কোনও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন, নজরদারি বিমান ও অ্যাওয়াকস (বায়ুবাহিত সাবধান করে দেওয়া ও নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম) গুলি করে মাটিতে ফেলে দিতে পারে এই সিস্টেম। এর প্রথম সেটটি আগামী তিন বছরের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে। বর্তমানে এই সিস্টেমের চলতি সংস্করণ ব্যবহার করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা, নৌবাহিনী। ওই সেনাকর্তা বলেন, সামরিক জোনে নানা ধরনের বিপদ মোকাবিলায় আকাশে প্রতিরোধ রচনার ক্ষমতাসম্পন্ন ৩৬০ ডিগ্রি মোবাইল ভূমি-নির্ভর উন্নত ডিফেন্স সিস্টেম এটি। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে আকাশে আঘাত হানার ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে বেশ কিছুদিন ধরেই তদ্বির করছিল সেনাবাহিনী। তারপর গত মে মাসে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভূমি থেকে আঘাত হানার উন্নত ব্রহ্মোস ক্রুইজ মিসাইলের পরীক্ষামূলক সফল উত্ক্ষেপণ করে সেনা। ২০০৭ সালে বিশ্বে প্রথম ভারতীয় সেনাই ব্রহ্মোস মোতায়েন করে। ২০১৫ সালে ভারতীয় সেনা দেশীয় প্রযুক্তিতে উন্নত করে তোলা ভূমি থেকে বায়ুতে ছোঁড়ার সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ-কে বাহিনীতে সামিল করে। ২৫ কিমি দূর থেকে বিপক্ষের হেলিকপ্টার, বিমান, মানবহীন আকাশযানকে আঘাত করার ক্ষমতা আছে এর। তবে এমআরএসএএম সিস্টেম অস্ত্রভাণ্ডারে থাকলে নিজের আঘাত হানার ক্ষমতায় গুণগত বড় বদল ঘটবে বলে মনে করছে সেনাবাহিনী।
Before You Go
Aparupa Poddar: 'রামনবমীর মিছিলে হামলায় উস্কানি দিয়েছিল সাকিরই', দাবি NIA-র

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















