Sikkim Landslide : ভয়ঙ্কর ভূমিধস সিকিমে, আটকালো নদীর গতি, আতঙ্ক চরমে
Sikkim Landslide Update : নদীর প্রবাহ সামান্য বাধাগ্রস্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সমাজমাধ্যমে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়।

সিকিম : এবার ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে বাঙালির প্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। উত্তর সিকিমের মাঙ্গান জেলায় নামল ভয়াবহ ভূমিধস। আর তার জেরে চিয়াকুং নদীর একটা অংশ এক্কেবারে অবরুদ্ধ। তার পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে তিস্তা নদীতেও। বিরাট এই ভূমিধসের জেরে আংশিকভাবে আটকে যায় উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রধান নদী তিস্তার প্রবাহও । সাম্প্রতিক নেপালের ঘটনার কথা ভেবে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আতঙ্ক। তবে সিকিম প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে নিম্নাঞ্চলে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।
সিকিমের এই ভূমিধসটি হয়েছে নোগা ফরেস্ট এলাকায়। থেং টানেলের বিপরীতে। রাতের অন্ধকারে পাহাড়ের একটি অংশ ধসে নদীর ওপর এসে পড়ায় চিয়াকুং নদীর প্রবাহ আংশিকভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়। সম্প্রতি নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের কারণ ছিল হিমবাহ ধসে পড়ে নদীর গতিতে বাধাসৃষ্টি হওয়া। এর ফলে ভয়া কাঁটা হয়ে যায় মানুষ। সেই সঙ্গে গত ২০২৩ সালে তিস্তার ভয়ঙ্কর হড়পা বানের ঘা-ও এখনও টাটকা। ফলে নদীর প্রবাহ সামান্য বাধাগ্রস্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সমাজমাধ্যমে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে, বর্তমানে মাঙ্গান বা তিস্তার নিম্ন অববাহিকায় আকস্মিক কোনও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে । নদীর জলপ্রবাহ ও ভূমিধসের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন।
সিকিমে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটলেই তার সরাসরি প্রভাব পড়ে পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং ও দার্জিলিংয়ে। প্রথমে নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয় , এখন সিকিমে ভূমিধস - দুই দুর্যোগ নিয়েই ত্রস্ত এ রাজ্যের পাহাড়ের মানুষ। এনডিটিভি রিপোর্ট অনুসারে, দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সিকিমের মুখ্য সচিব রবীন্দ্র তেলাং জির সঙ্গে কথা বলেছেন। সিকিমের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভূমিধসের ফলে দুটি নদীরই প্রবাহ আংশিকভাবে অবরুদ্ধ হয়। তিস্তা নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। তবে, বর্তমানে তিস্তা নদীর প্রবাহ পরে স্বাভাবিক হয়েছে। তিস্তা ও চ্যাকুং নদীতে আংশিকভাবে জল আটকে পড়লেও, উভয় নদীতে বাকি অংশে প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা আহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে, সাংসদ রাজু বিস্তা তিস্তা নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেন। বলেন, টানা বৃষ্টি চলছে, তাই সাবধান থাকাই ভালো।
মাঙ্গান জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জল জমে আছে, তবে উভয় নদীতেই প্রবাহ একে বারে থমকে যায়নি। চুংথাং ও থেং-এ সবসময় নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ। নিম্ন অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।
Before You Go
CJP Protest On Chorbagan: চোরবাগান বিপর্যয়ে মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে পথে ককরোচ জনতা পার্টি























