হিন্দি, তামিল, সংস্কৃত, ইংরাজিতে ২ ঘণ্টার ভাষণ, নির্মলা শোনালেন, ‘ইয়াকিন হো তো কোই রাস্তা নিকলতা হ্যায়...’
চাণক্যের বাণী শুনিয়ে নির্মলা সাংসদদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, “প্রচেষ্টায় অবিচল থাকলে কাজ সম্পূর্ণ হবেই।”

নয়াদিল্লি: অতীতে মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট পেশ করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধী। দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম বাজেট পেশের দিন সেই স্মৃতিই যেন ফিরে এল নির্মলা সীতারামণের হাত ধরে। অর্থমন্ত্রকের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মহিলা মন্ত্রী হিসেবে শুক্রবার বাজেট পেশ করলেন নির্মলা সীতারামণ। লোকসভায় ২ ঘণ্টা ১৭ মিনিটের দীর্ঘ বক্তৃতা করলেন তিনি। ইংরাজি তো ছিলই, তা ছাড়াও অর্থমন্ত্রী নিজের বক্তব্য সাজালেন হিন্দি, তামিল, উর্দু ও সংস্কৃতে। সংসদে তাঁর মুখে শোনা গেল চাণক্য নীতিও। এখানেই শেষ নয়, চমকের ছিল আরও বাকি। নির্মলা সীতারামণের ভাষণে জায়গা করে নিল উর্দু কবি মঞ্জুর হাসমির জনপ্রিয় দ্বিপদ, “ইয়াকিন হো তো কোই রাস্তা নিকলতা হ্যায়, হাওয়া কি ওত ভি লে কর চিরাগ জ্বলতা হ্যায়”। যার সারমর্ম, বিশ্বাস থাকলে রাস্তা নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসে।
তার আগে চাণক্যের বাণী শুনিয়ে নির্মলা সাংসদদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, “প্রচেষ্টায় অবিচল থাকলে কাজ সম্পূর্ণ হবেই।”
এদিন সকাল ১০টা বেজে ৫৫ মিনিটে লোকসভায় আসেন অর্থমন্ত্রী। এরপর সরাসরি নিজের আসনে চলে যান তিনি। সেখানে তাঁকে অগ্রীম অভিনন্দন জানিয়ে যান তাঁর সতীর্থরা। উপস্থিত ছিলেন তাঁর বাবা নারায়ণ সীতারামণ ও মা সাবিত্রী দেবী। গ্যালারিতে বসে দিদির ভাষণ শুনেছেন বোন বাঙময়ী পরকালাও।
অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে ডেস্ক বাজিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানিয়েছে শাসক পক্ষের নেতা মন্ত্রীরা। নির্মলা সীতারামণের বাজেট পেশের সময় ডেস্ক চাপড়াতে দেখা যায় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও।
উল্লেখ্য, এদিন বাজেট অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সোনিয়া ও রাহুল গাঁধী, দুই কংগ্রেস সাংসদই। তবে অনুপস্থিত ছিলেন যাদব পরিবারের ২ নেতা মুলায়ম সিংহ যাদব এবং অখিলেশ যাদব।
Before You Go
Mahalaya Event in Kolkata | "প্রতি জেলার জন্য তৈরি হয়েছে স্টেজ", বললেন Agnimitra Paul |





















