জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে পারে। ২২ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে কর্ণাটকের অভ্যন্তরীণ এলাকা, দক্ষিণ তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমঘাট অঞ্চলে বজ্রঝড় ও বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেরল ও কর্ণাটকের উপকূলীয় এলাকাতেও বৃষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
2/7
ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)-এর তথ্য অনুযায়ী, ৪ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যেখানে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এই সময়ে ৪৭.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার কথা।
3/7
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মধ্য ভারত। সেখানে স্বাভাবিকের তুলনায় ৫৫ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের অবস্থাও উদ্বেগজনক, যেখানে বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ৪০ শতাংশ। দক্ষিণ ভারতে ঘাটতি তুলনামূলকভাবে কম
4/7
আবহাওয়াবিদদের মতে, মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতি কাগজে-কলমে অব্যাহত থাকলেও বৃষ্টির জন্য উপযোগী নয় আবহাওয়া । জেট স্ট্রিমের অস্বাভাবিক অবস্থান পরিবর্তনের কারণে বর্ষার সক্রিয়তা কমে গিয়েছে। ফলে আগামী ২১ জুন পর্যন্ত দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা কম
5/7
এই সময়ে কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর সীমান্তবর্তী এলাকা এবং পূর্বঘাট পর্বতমালার কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি চলবে।
6/7
জোরালো বর্ষা প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে ২৯ জুন থেকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে। এই সময়ে কেরলের পশ্চিমঘাট ও মহারাষ্ট্রের কোকণ উপকূল অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে।
7/7
এদিকে IMD ইতিমধ্যেই ২০২৬ সালের জন্য স্বাভাবিকের তুলনায় দুর্বল বর্ষার পূর্বাভাস দিয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়াকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহ বর্ষার গতিপ্রকৃতির উপর নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা।