Durgapuja 2026: ইডেনে মহালয়ার মেগা অনুষ্ঠানে থাকছেন না প্রধানমন্ত্রী, আসছেন অমিত শাহ
Eden Gardens: আগে ব্লু প্রিন্ট তৈরি হয়েছিল বৈঠকের পর এমনই যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন মাঠে। কিন্তু তা হচ্ছে না।

কলকাতা: আগামী ১০ অক্টোবর ইডেনে মহালয়ার দিন মেগা অনুষ্ঠানে আসার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কিন্তু অন্য় কাজে ব্যস্ত থাকায় আসছেন না প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, সিএবি অফিশিয়ালদের সঙ্গে আজ রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক ছিল। সেখানেই রাজ্য সরকারের তরফে সিএবি অফিশিয়ালদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ব্যক্তিগত কিছু কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসছে না মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে। জানা গিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসছেন।
আগে ব্লু প্রিন্ট তৈরি হয়েছিল বৈঠকের পর এমনই যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন মাঠে। কিন্তু তা হচ্ছে না। এছাড়াও গাড়িতে গোটা মাঠ প্রদক্ষিণ করার কথা ছিল নরেন্দ্র মোদির। কিন্তু সূচিতে বদল এসেছে। আগামী ১০ অক্টোবর ইডেন থেকে কলকাতার কয়েকটি নামকড়া পুজোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করার কথা ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তে আপাতত যা খবর অমিত শাহ সেই পুজোর উদ্বোধন করবেন ভার্চুয়ালি।
সিএবির তরফ থেকে রাজ্য সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পাস দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কারণ পুরো অনুষ্ঠানটির তত্ত্বাবধানে থাকছে রাজ্য সরকার। এই বিষয়ে সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস বলছেন, 'এখনও পর্যন্ত মহালয়ার অনুষ্ঠানে সিএবির সদস্যদের মধ্য়ে বণ্টন করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পাস দেওয়ার অনুরোধ করেছি রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে। তবে এখনও পর্যন্ত পাসের বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।'
উল্লেখ্য, সিএবির নির্বাচন নিয়ে ইতিমধ্য়েই জট কাটতেই চাইছে না। জুলাই মাসে যুগ্মসচিব পদে নির্বাচন করা যায়নি।তিনটি পদ এখনও শূন্য। যার মধ্যে দুটি আবার পদাধিকারীর চেয়ার। সচিব ও যুগ্মসচিব। কিন্তু লোঢা আইন মেনে বয়স ৭০ পেরিয়ে যাওয়া এবং ক্রিকেট প্রশাসনে ৯ বছর কাটিয়ে ফেলা ব্যক্তি সভায় প্রতিনিধিত্ব করতে বা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত পৌঁছতে পারেনি সিএবি। কিছুদিন আগেই সিএবির ৯৫ তম বার্ষিক সাধারণ সভায় মনোহরপুকুর মিলন সমিতির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার। বৈঠকের পরে তিনি বলেন, 'ভোট হয়নি কারণ কেউ মনোনয়ন দেয়নি। কেউ মনোনয়ন জমা করলে ভোট হতো। পরেরবার যখন নির্বাচনের সময় আসবে, মনোনয়ন জমা পড়লে ভোট হবে।' এরপরই তাঁর গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য, 'সচিব ও যুগ্মসচিবের মতো পদ তো দীর্ঘদিন ফাঁকা রাখা যায় না।'




















