Samik Bhattacharya | "তৃণমূল নামে কোনও রাজনৈতিক দল নেই...", খোঁচা বিজেপির রাজ্য সভাপতির
কলকাতা : আসল তৃণমূল কে? সামনেই রাজ্যে উপনির্বাচন, তার পূর্বে রাজনৈতিক পরিসরে বারেবারে ভেসে আসছে এই প্রশ্ন। কে দেবে প্রার্থী? অবশেষে দলের জোড়াফুল প্রতীকের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে আজ, শনিবার দুই শিবিরকেই ডেকে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। দিল্লিতে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট-এ বৈঠক। দুই শিবিরকেই ৫ জন করে প্রতিনিধি নিয়ে হাজির থাকতে বলেছিল কমিশন। বুধবার নির্বাচন কমিশনের তরফে মমতা বন্দ্যোাপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ঋতব্রত শিবিরকে ১১টায় বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। মমতার শিবিরকে ১২টায়।
এর আগে দুই শিবিরের কাছে প্রথমে ব্যাখ্যা চেয়েছিল কমিশন। কালীঘাটপন্থীরা ব্যাখ্যা দিয়েছিল। তবে সময় চেয়েছিল ঋতব্রত শিবির। তার মধ্যেই জোড়া উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে যায়। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে আগামী ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর। তার আগেই কমিশনের 'ফয়সালা বৈঠক'। একঘণ্টার ব্যবধানে কমিশনের মুখোমুখি দুই তৃণমূল। কিন্তু এদিনের বৈঠক কী নির্যাস পাওয়া গেল? সূত্রের খবর, ফ্রিজ করে দেওয়া হতে পারে 'জোড়াফুল' প্রতীক। কারণ, উপনির্বাচনের আগে চূড়ান্ত ফয়সালার সম্ভবনা কম।
এই আবহেই কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন। কী লিখলেন তিনি? দেখুন। আর অন্যদিকে কল্যাণ, তিনি একেবারে বড় দাবি করে বসলেন। জোড়াফুলের প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়বে কালীঘাটপন্থী প্রার্থী, জানিয়ে দিলেন তিনি। সঙ্গে বললেন, "নির্বাচন কমিশন কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি। কমিশন আমাদের ১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বর ডেকেছে।"






















