বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেই পাঁচ উইকেট। আইসিসি টুর্নামেন্টে শামির দাপট অব্যাহত।



তবে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ আর ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মধ্যে দীর্ঘ একটা লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে শামিকে।



১৪ মাস চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। রিহ্যাবে না না সমস্যাও হয় তাঁর।



বর্তমানে খেলাধুলোর ক্ষেত্রে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ আর এই বডি ফিটনেসেই ভুগছিলেন শামি।



তিনি নিজেই জানান রিহ্যাবের সময় তাঁর ওজন প্রায় ৯০ ছুঁই ছুঁই হয়ে গিয়েছিল।



কিন্তু তাঁর ভাল খাবার দাবারের প্রতি আর তেমন লোভ নেই। ব্যতিক্রম শুধুই বিরিয়ানি।



শামি নিজেই জানান যে রিহ্যাবের পর প্রায় নয় কেজি ওজন ঝরিয়েছেন তিনি।



মিষ্টি বা ভাল খাবারের প্রতি ঝোঁক না থাকলেও, বিরিয়ানিপ্রেমী শামি অবশ্য মাঝে মাঝে বিরিয়ানি খাওয়াকে খারাপ মনে করছেন না।



তবে তিনি এও জানান যে ২০১৫ সালের পর থেকে তিনি সারাদিনে মাত্র একবার খান। প্রাতঃরাশ বা মধ্যাহ্নভোজ করেন না।



কেবল রাতের খাবারই তাঁর ভরসা। প্রাথমিকভাবে সমস্য়া হলেও, বর্তমানে অসুবিধা হয় না বলেও দাবি তাঁর।