আয়রনের ঘাটতি মেটাতে কাবলি চানা খেতে পারেন। এই ছোলা সেদ্ধ করে খেলে আয়রনের সঙ্গে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন সবই পৌঁছোবে শরীরে।



পালংশাকে প্রচুর আয়রন থাকে। এছাড়াও পাবেন ভিটামিন এ এবং সি। আর রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। রান্নার আগে ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে।



আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং হেলদি ফ্যাট সমৃদ্ধ কুমড়োর বীজ হেলদি স্ন্যাক্স হিসেবে খেতে পারেন আপনি। এই বীজ খেলে পাবেন অনেক উপকার।



কিনুয়া একটি গ্লুটেন-ফ্রি উপকরণ। আয়রন ছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার এবং অন্যান্য নিউট্রিয়েন্টস। স্যালাডে কিনুয়া মিশিয়ে খেতে পারেন।



এমনি চকোলেটের পরিবর্তে ডার্ক চকোলেট খান। এর মধ্যে আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। খেলে অনেক উপকার পাবেন।



আয়রনের ঘাটতি মেটাতে মেনুতে রাখুন মুরগির মাংস। সহজলভ্য এই উপকরণ রান্না করাও সহজ। আর জলদি হজমও হয়।



ডিম খেলে শুধুই প্রোটিনের ঘাটতি মেটে তা কিন্তু নয়। ডিমের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রনও। তাই রোজ একটা ডিম সেদ্ধ খেতেই পারেন।



ব্ল্যাক বিনস- কালো রঙের এই দানাশস্য আয়রনে ভরপুর। সেদ্ধ করে খেলে উপকার পাবেন প্রচুর। এটি একটি উদ্ভিদজাত উপকরণ যেখানে প্রচুর আয়রন রয়েছে।



আয়রনের ঘাটতি মেটাতে আপনি পাতে রাখতে পারেন টুনা মাছ। এই বিশেষ ধরনের মাছের মধ্যে আয়রনের সঙ্গে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ লিন প্রোটিন।



আয়রন ছাড়াও কাজুবাদামের মধ্যে রয়েছে কপার এবং হেলদি ফ্যাট। রোজ দু-তিনটে কাজুবাদাম খাওয়া যেতেই পারে।