বৃন্দাবন স্থিত আশ্রমে গুরুদেব প্রেমানন্দজি মহারাজের আধ্যাত্মিক বচনে প্রাণ ও মন ভরেনি এমন ভক্ত খুঁজে পাওয়া ভার।



নানা বিষয়ে তাঁর আধ্যাত্মিক প্রবচন শুনতে ভিড় জমে রাধা কেলি কুঞ্জ ট্রাস্টে।



বিরাট কোহলি, অনুষ্কা শর্মা সহ নানা ক্ষেত্রের স্বনামধন্য মানুষদেরও প্রায় সময়েই
প্রেমানন্দজি মহারাজের শ্রী চরণে উপস্থিত থেকে আধ্যাত্মিক জ্ঞান আহরণে ব্রতী হতে দেখা গিয়েছে।


মহারাজের এহেন আধ্যাত্মিক প্রবচনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অকালমৃত্যু ও দুর্ঘটনা সংক্রান্ত তাঁর প্রবচনটি।



মহারাজ বলেছেন, কেউ যদি পাঁচটি নিয়ম প্রাণ-মন দিয়ে পালন করেন, মেনে চলেন, তিনি সবসময় সুখী থাকেন।



পাঁচ নিয়মের মধ্যে প্রথমটি : যে ঠাকুর মেনে চলেন, তাঁর চরণামৃত রোজ সেবন। অকালমৃত্যু এড়াবে এই চরণামৃত সেবন। সমস্ত রোগের নাশক।



পাঁচ নিয়মের মধ্যে দ্বিতীয়টি : বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় কমপক্ষে ১১ বার এই মন্ত্রের স্মরণ করুন- শ্রী কৃষ্ণায় বাসুদেবায় হরয়ে পরমাত্মনে। প্রণতঃ ক্লেশনাশায় গোবিন্দায় নমোঃ নমহঃ।



১১ বার এই মন্ত্রের স্মরণে রাস্তায় কখনও দুর্ঘটনা ঘটবে না। কখনও দুর্ঘটনায় পড়লেও, নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারবেন।



পাঁচ নিয়মের মধ্যে তৃতীয়টি : দিনের ব্যস্ত সময়ের মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় বের করে প্রাণের ঠাকুর বা আরাধ্য দেবতার সামনে বসে বিভোর হয়ে নাম-সংকীর্তন।



পাঁচ নিয়মের মধ্যে চতুর্থটি : আরাধ্য দেবতাকে রোজ ১১ বার সাষ্টাঙ্গ প্রণাম



পাঁচ নিয়মের মধ্যে পঞ্চম ও শেষটি : বৃন্দাবনের মাটি বা ধুলো নিয়ে এসে মাথায় ধারণ।



প্রেমানন্দজি মহারাজের বচন, “ এই পাঁচ নিয়ম মেনে চললে, জীবন হবে ইতিবাচক। সরে যাবে দুঃখ-কষ্ট, হবে আনন্দ অনুভব।”
তথ্যসূত্র - bhajanmarg_official


ডিসক্লেমার - ধর্মীয় বিশ্বাস নিজস্ব। এবিপি লাইভ ধর্ম সম্পর্কিত কোনো সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না।
প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।