আজ ৮ জুন, বিশ্ব সমুদ্র দিবস। বিশ্ব উষ্ণায়ন থেকে খাবারের জোগান, বৃষ্টিপাত থেকে জীববৈচিত্র্য- সমুদ্রের প্রভাব বহুদূর বিস্তৃত। সেই সমুদ্রই এখন ভয়াবহ দূষণের কবলে।
সেই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ দিনের পালন।
সাধারণত 'পৃথিবীর ফুসফুস' নামে পরিচিত মহাসাগর বা সমুদ্র, সারা বিশ্বের মানুষের জন্য প্রোটিন এবং খাদ্যের একটি প্রধান উৎস।
জল দূষণ এবং মানুষের অজ্ঞতার কারণে সমুদ্র দূষণ বাড়ছে, ধ্বংস হচ্ছে এবং মাছের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।
সময় এসে গিয়েছে যে আমরা প্রস্তুত হই এবং সমুদ্রকে রক্ষা করার জন্য একসঙ্গে কাজ করি।
১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে সংঘটিত 'আর্থ সামিট'-এ কানাডা প্রথম বিশ্ব সমুদ্র দিবস পালনের প্রস্তাব দেয়।
আন্তর্জাতিক অংশীদার সংস্থাগুলির সহায়তায়, ২০০২ সালে 'দ্য ওশান' প্রকল্প বিশ্ব সমুদ্র দিবসের প্রচার শুরু করে।
২০২৩ সালের বিশ্ব সমুদ্র দিবসের থিম হল 'প্ল্যানেট ওশান: টাইডস আর চেঞ্জিং' যা মহাসাগরগুলির জন্য আশা এবং উদ্বেগের বিরোধিতা উপস্থাপন করে।
যদিও সমুদ্রের ক্ষতির বিষয়ে এখন অনেক মানুষই বেশ সচেতন, তবুও মানুষেরই ক্রিয়াকলাপের প্রভাবে সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের অবক্ষয় এখনও ঘটেই চলেছে।
এই দিনটির লক্ষ্য সমুদ্রের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, সামুদ্রিক সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনাকে উত্সাহিত করা